কিমের ‘নগ্ন ঢেউ’ ক্যামব্রিজে

0
92
কিম কার্দাশিয়ান

নিউ ইয়র্কভিত্তিক পেপার ম্যাগাজিনের শীতকালীন সংস্করণের কভারপেজে কিম কার্দাশিয়ান নিজের দেহের পেছন দিকটা উন্মুক্ত করে ওয়েব দুনিয়ায় রীতিমতো ঝড় তুলেছেন। ৩৪ বছরের কিমের এই পোজ অনুকরণ করেছেন বিশ্বখ্যাত ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীও।

‘ক্যামব্রিজ বেস্ট বাম্পস’ নামে এক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন ক্যামব্রিজের শিক্ষার্থীরা
‘ক্যামব্রিজ বেস্ট বাম্পস’ নামে এক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন ক্যামব্রিজের শিক্ষার্থীরা

সম্প্রতি ‘ক্যামব্রিজ বেস্ট বাম্পস’ নামে এক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। তাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। তাদের মধ্যে একজন ছাত্র পেপার ম্যাগাজিনে কিমের ওই ভঙ্গির মতো পোজ দিয়েছেন। কিমের মতো কালো গ্লাভস ও মুক্তার মালা পরে নিজের দেহের পেছন দিকটা উন্মুক্ত করেছেন তিনি।

লরিন নামে আরেক প্রতিযোগী নদীর তীরে নগ্ন হয়ে পোজ দিয়েছেন। নাতাশা নামে সঙ্গীতের শিক্ষার্থী ক্যামব্রিজের একটি ভবনের সামনে নগ্ন পোজ দিয়েছেন। টমাস নামে রাজনীতি বিজ্ঞানের এক ছাত্র লেকের সামনে নগ্ন পোজ দিয়েছেন। কেটি নামের আরেক শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসের একটি ভবনের ছাদে নগ্ন পোজ দিয়েছেন। প্রাণিবিদ্যার মার্ক পোজ দিয়েছেন ষাঁড়ের সামনে।

আর ক্যামব্রিয়ান ইউনিয়ন সোসাইটির সভাপতির চেয়ারের ওপর দাঁড়িয়ে ধুপদী নগ্ন পোজ দিয়েছেন নিক। কম্পিউটার বিজ্ঞানের ছাত্রী এলিস নগ্ন হয়ে পত্রিকা পড়ার পোজ দিয়েছেন। ‘ফিমেল মিসটুইক’ নামের একটি বই হাতে নগ্ন পোজ দিয়েছেন ক্লারা।

আয়োজকরা বলছেন, প্রতিযোগিতায় ৬ জন ছেলে এবং ৬ মেয়ে অংশগ্রহণ করেছেন। এবং তারা স্বেচ্ছায় এটা করেছেন।

রিয়েলিটি স্টার কিম সম্প্রতি পেপারে নগ্ন পোজ দিলেও এই ধারা শুরু করেছিল কেমব্রিজের শিক্ষার্থীরা বলে দাবি করেছেন আয়োজকরা।

তারা বলছেন, এই নিয়ে তৃতীয়বারের মতো তারা এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছেন। কিন্তু বিভিন্ন বিতর্কের মুখে এর নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। ১৯৭৬ সালে শুরু হওয়া প্রতিযোগিতার প্রথম নাম ছিল ‘রেয়ার অব দ্যা ইয়ার’।

১৯৭৬ সালে প্রথম পুরস্কার পান গায়ক রাসেল স্টিভেনস এবং চার্লট চার্চ এবং বিবিসির ফাইওনা ব্রুস। দ্বিতীয় বার এই পুরষ্কার পেয়েছেন গায়ক ওলি মারস এবং টিভি উপস্থাপক ক্যারল ভোড্ডারম্যান।

তবে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই প্রতিযোগিতা নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

ইউএম/