যেসব কারণে বিষিয়ে উঠতে পারে দাম্পত্য জীবন

0
113
breakup
সম্পর্ক শেষ হওয়ার লক্ষণ- ফাইল ছবি

আমাদের সমাজ বাস্তবতায় বিয়ে না করলে নানা ধরনের ঝামেলায় পড়তে হয়। আবার দাম্পত্য জীবনও সমস্যামুক্ত নয়। সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, মানুষ মধুময় জীবনের জন্যই বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন। কিন্তু সমস্য দেখা যায় তখনই যখন একজনের চাহিদার সাথে অন্যজনের মেলে না। থাকে না কোনো রোমান্স; জীবন মনে হয় বিষময়। এছাড়া কিছু বিষয় আছে যেগুলো দাম্পত্য জীবনকে আরও দুর্বিষহ করে তোলে; আত্মঘাতী হতে আর বুক কাঁপেনা।

বিষয়গুলো এড়িয়ে গেলে দাম্পত্য জীবন মধুময় হয়ে উঠতে পারে-

ছবিটি প্রতীকী
ছবিটি প্রতীকী

১. খোঁচা দেওয়া: এমন কিছু নিয়ে ঠাট্টা না করা যাতে সে আঘাত পায় সঙ্গীকে অপমান করা আপনার প্রতি তার শ্রদ্ধাবোধকে কমিয়ে দেবে।

২. উপেক্ষা করা : তার পছন্দ, ভালোলাগা কিংবা তার কথাবার্তাকে পাত্তা না দেয়া। বেশ কিছুদিন যাবৎ খুব আগ্রহ নিয়ে হয়ত সে কিছু বলছে কিন্তু আপনি বিশেষ কারণ ছাড়াই তার কথার পাত্তা দিচ্ছেন না এমন চলতে থাকলে একটা দূরত্ব তৈরি হবে।পরে হয়তো এ দুরত্ব কাটিয়ে ওঠা আপনার জন্য দুরূহ হয়ে উঠতে পারে।

৩. মিথ্যা বলা : কিছুতেই মিথ্যা বলা ঠিক নয়। মিথ্যা আপনাদের পারস্পারিক বিশ্বাসকে ভেঙ্গে চুরমার করে দেবে।

৪. কথা দিয়ে কথা না রাখা : কথা দিয়ে কথা রাখা দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ। বারবার তাকে কোনো কোনো একটি বিষয়ে কথা দিচ্ছেন অথচ কথা রাখছেন না তাহলে আপনার প্রতি নেতিবাচক ধারণা তৈরি হবে আপনার সঙ্গীর।

৫. ভালোবাসার প্রকাশ না থাকা: ভালোবাসার প্রকাশ থাকা খুবই প্রয়োজন। আপনার অনুভূতির ইতিবাচক অভিব্যক্তি ব্যক্ত করুন। যেমন: তাকে খুব মিস করছেন, তার সাথে একটু বেশি সময় কাটাতে চাচ্ছেন। মন খুলে বলেই ফেলুন, ‘আই লাভ ইউ’।

৬. সন্দেহ করা : কখনো সন্দেহ করতে যাবেন না। মনে রাখতে হবে সন্দেহ সমস্যার সূচনা। যার শেষটা হতে পারে বিয়োগাত্মক। আপনার জীবনসঙ্গী আপনার খুব কাছের মানুষ এটা সত্যি। কিন্তু খুঁতখুঁত করে যদি তার বিষয়ে অনেক ঘাঁটাঘাঁটি করেন, আপনি নিঃসন্দেহে হতাশ হবেন। মানুষ কখনো নিখুঁত নয়। স্বামী বা স্ত্রী একে অপরের ছোট-খাটো ভুলত্রুটি বা সীমাবদ্ধতা নিয়ে অন্যের কাছে বলে বেড়াবেন না।

৭. খুব বেশি ব্যস্ততা : সঙ্গীর জন্য কিছু সময় রাখবেন। পারস্পরিক কথাবার্তা আর সময়গুলো সম্পর্ককে প্রগাঢ় করে। তার প্রতি আপনার কর্তব্য রয়েছে, আপনার কিছু দায়িত্ব রয়েছে। কিছুটা সময় তিনি পাওয়ার অধিকার রাখেন। শুধু অফিস বা নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত না থেকে তার জন্য কিছুটা সময় বরাদ্দ রাখুন।

৮.সঙ্গীর উপার্জন নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করা: সঙ্গীর উপার্জন নিয়ে কখনো নেতিবাচক মন্তব্য করা ঠিক না। সে কিভাবে টাকা খরচ করছে তা নিয়েও সবসময় প্রশ্ন করা ঠিক না।এতে সম্পর্ক বিষিয়ে উঠতে পারে।

৯.যৌন মিলনে অনীহা : যৌন সম্পর্কে পরস্পরকে না বোঝা সম্পর্ককে মারাত্মক হুমকিতে ফেলতে পারে। ইচ্ছা করে যৌনতা থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করা ঠিক নয়।

ইউএম/