ডিএসই’র নতুন সফটওয়্যারে আজ থেকে নকল লেনদেন

0
96
dse
ডিএসই লোগো
dse-logo_update
ডিএসই লোগো

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) নতুন প্লাটফর্মের সফটওয়্যারের মাধ্যমে নকল তথা পরীক্ষামূলক লেনদেন শুরু হবে আজ সোমবার। শনিবার বাদে প্রতিদিন সাড়ে ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭ পর্যন্ত এ লেনদেন হবে। আর শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে লেনদেন শুরু হবে,চলবে ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, সোমবার লেনদেন শুরুর আগে সেরা ৩০টি ট্রেকহোল্ডারের নিয়ে বৈঠক করবে প্রতিষ্ঠানটি। সেখানে নতুন সফটওয়্যারের মাধ্যমে লেনদেন করার বিষয়ে আলোচনা করা হবে।

সূত্র জানিয়েছে, এ লেনদেন আগামী ৮ থেকে ১০ দিন চলবে। এখানে কোনো ধরনের ভুলত্রুটি হলে তা সংশোধন করে চুড়ান্ত লেনদেন চালু করা হবে। চুড়ান্ত লেনদেন এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই হবে।

জানা গেছে, এরই মধ্যে ডিএসই স্টেকহোল্ডার প্রতিনিধি, ব্রোকারেজ হাউজের সকল অনুমোদিত প্রতিনিধি, আইটি বিভাগের প্রধান এবং ক্রেডিট এডমিনিসট্রেটরের নতুন অর্ডার ম্যানেজমেন্ট সফটওয়ার সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার জন্য তিন মাসব্যাপী পর্যায়ক্রমে এক ট্রেনিং প্রোগ্রাম চালিয়েছে।

এ সফটওয়্যারের মাধ্যমে ডেরিভেটিভ প্রোডাক্ট, কমোডিটি লেনদেনও চালু করা যাবে। এতে দেশের পুঁজিবাজারের গভীরতা আরও বাড়বে। একই সঙ্গে এর মাধ্যমে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের অংশ গ্রহণ বাড়বে বলে মনে করেন ডিএসই কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. স্বপন কুমার বালা বলেন, বিশ্বখ্যাত সফটওয়্যারটি চালু হলে ডিএসই ইটিএফ, সুকুমসহ অন্য নতুন ইন্সট্রমেন্টস চালু করতে পারবে। এতে  দেশের পুঁজিবাজারের গভীরতা বাড়বে। অটোমেটেড ট্রেডিং সিস্টেমসের ম্যাচিং ইঞ্জিন নাসডাক ওএমএক্স ও ব্রোকিং হাউসের জন্য অর্ডার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ফ্লেক্সট্রেড সিস্টেমস পিটিই লিমিটেড সরবরাহ করছে ।

তিনি বলেন, ডিএসই এটির সর্বশেষ সংস্করণ এক্স-স্ট্রিম আইনেট ব্যবহার করতে যাচ্ছে, যা কিনা বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুত গতির ম্যাচিং ইঞ্জিন। অন্যদিকে ফ্লেক্সট্রেডের মোত্তাই পৃথিবীর সেরা অর্ডার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমগুলোর মধ্যে একটি বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে ডিএসই’র সাবেক সভাপতি ও বর্তমান পরিচালক শাকিল রিজভী অর্থসূচককে বলেন, আগামীকাল থেকে ডিএসই’র নতুন সফটওয়ারের মাধ্যমে পরীক্ষামূলক লেনদেন শুরু হবে। এখানে কোনো ধরনের ভূলত্রুটি দেখা দিলে তা সংশোধন করার পর চুড়ান্ত লেনদেনে যাবে। এটি এমন একটি সফটওয়্যার যা পুরোপুরি ব্যবহারবান্ধব হবে বলে মনে করেন তিনি।

এদিকে, গত ১০ মার্চ ডিএসইর পর্ষদ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ম্যাচিং ইঞ্জিন হিসেবে পাঁচ বছরের জন্য নাসডাক ওএমএক্সের জন্য খরচ হবে ৭৭ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। আর অর্ডার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে বা ফ্রন্ট অ্যান্ড হিসেবে পাঁচ বছরের জন্য ফ্লেক্সট্রেড বাবদ খরচ হবে ১৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা। আর মোট খরচ হবে ৯৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। এ ক্ষেত্রে প্রাথমিক অবস্থায় এ দুটি কোম্পানিকে দিতে হবে ৩৩ কোটি ৬২ লাখ টাকা। আর ১০ বছরের জন্য একই ইঞ্জিন ব্যবহৃত হলে খরচ হবে ১৭৯ কোটি ৫২ লাখ টাকা।

এ সফটওয়্যারটি পোলারিস নামক কোম্পানির তৈরি। এটি ট্রেডিং প্লাটফর্ম নামে পরিচিত এবং এ সফটওয়্যার স্টক এক্সচেঞ্জে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। আর স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্যভুক্ত স্টক ব্রোকাররা ফ্রন্টএন্ডে অর্ডার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হিসেবে ব্যবহার করে থাকে।

অর্থসূচক/জিইউ