বিদেশে চাকরি প্রার্থীদের জন্য প্রশিক্ষণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

0
79
hasina
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা- ফাইল ছবি
hasina
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা- ফাইল ছবি

প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের বিপুল জনশক্তিকে দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, স্বাধীনতার আকাংখা পূরণে দেশের উন্নয়নে এ জনশক্তির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

এ প্রসঙ্গে তিনি বিগত কয়েক বছরের অর্থনৈতিক মন্দায় দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের অবদান উল্লেখ করে বলেন, ওই সময় অনেক দেশ তাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি থেকে পিছিয়ে পড়েছে।

এ প্রেক্ষাপটে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের অপশাসন এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ভীতিকর শাসনের কারণে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছিলো।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব বৈরি প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে আমরা প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সের সুবাদে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করেছি।
প্রবাসীদের জন্য তাঁর সরকারের নেয়া বিভিন্ন কল্যাণমূলক পদক্ষেপের উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, তাদের অবদান বিবেচনায় নিলে তাদের প্রতি অবহেলা প্রদর্শনের কোনো সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে চৌকস কূটনৈতিক তৎপরতায় মালয়েশিয়ায় ১ লাখ ৬৫ হাজার বাংলাদেশী শ্রমিক বৈধতা পেয়েছে। কিন্তু পরবর্তীতে বিএনপি শাসন আমলে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নেয়ায় আরো ১ লাখ বাংলাদেশী অবৈধ হয়ে পড়ে।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে মালয়েশিয়ার চমৎকার সম্পর্ক বিদ্যমান। দেশটিতে বর্তমানে সরকারি পর্যায়ে জনশক্তি রফতানি হচ্ছে। এখন বিদেশে চাকরি প্রার্থীদের তাদের কাক্সিক্ষত দেশের আইন-কানুন সম্পর্কে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও তথ্য দেয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক ভালোভাবে কাজ করছে। এ ব্যাংক থেকে একজন বিদেশে চাকরি প্রার্থী তার বিমান ভাড়া ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যয়ের জন্য ঋণ নিতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার জনশক্তি খাতে জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠায় এবং প্রবাসী চাকরিজীবীদের স্বার্থ সংরক্ষণে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও প্রবাসী শ্রমিক আইন ২০০১ প্রণয়ন করেছে।

তিনি বলেন, প্রবাসী শ্রমিকদের সমস্যা দেখাশোনা করতে বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোতে নতুন মিশন খোলা হয়েছে। ১৫টি লেবার উইং খোলা হয়েছে, যা ৫ থেকে ৬ লাখ শ্রমিককে বিদেশে কর্মসংস্থান খুঁজে পেতে সহায়তা করেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, জনশক্তি রফতানি কর্মকা- তথ্যপ্রযুক্তির আওতায় আনা হয়েছেÑ এতে ২০ লাখ শ্রমিক ডাটা ব্যাজের আওতায় এসেছে। প্রত্যেক প্রবাসী শ্রমিকের জন্য বায়োমেট্রিক স্মার্ট কার্ড চালু হয়েছে। সূত্র: বাসস।