‘সাভারে ট্যানারি হলে পোশাকের প্রতিদ্বন্দ্বী হবে চামড়া পণ্য’  

0
77
Mozina_Press Club
রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতকরণ শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজিনা। ছবি: খালেদুল কবির নয়ন
Mozina_Press Club
জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতকরণ’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য রাখেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজিনা। ছবি: খালেদুল কবির নয়ন

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজিনা মনে করেন, সাভারে পরিবেশবান্ধব ট্যানারি শিল্প চালু হলে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য মার্কেটে চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি করতে পারবে। আর এই রপ্তানি বাংলাদেশের রপ্তানিচালক পোশাকের প্রতিদ্বন্দ্বী হবে।

রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতকরণ’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এই মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশে পরিবেশ নিয়ে কাজ করা সাংবাদিক ফোরাম (এফইজেবি) অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে।

মজিনা বলেন, সাভারে ট্যানারি শিল্প স্থানান্তর বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের  অঙ্গীকারে আমি উৎসাহিত হয়েছি। যেখানে একটি পরিবেশবান্ধব নতুন ট্যানারি পার্ক স্থাপন করা হচ্ছে। এই পরিবেশবান্ধব ট্যানারি চালু হলে যক্তরাষ্ট্রসহ অন্য বাজারে জুতা ও প্রস্তুতকৃত অন্যান্য লেদার পণ্য রপ্তানি করতে পারবে বাংলাদেশ। আমি বিশ্বাস করি- এই রপ্তানি বাংলাদেশের রপ্তানিচালক পোশাকের প্রতিদ্বন্দ্বী হবে। আর এর মাধ্যমে এখানকার পরিবেশ দুষণ অনেকাংশে কমে আসবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ফার্মাসিটিউক্যাল শিল্পেও এগিয়ে যাচ্ছে। এই শিল্পও পরিবেশবান্ধবভাবে উন্নতি করছে। যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশের বড় ফার্মাসিটিউক্যাল পণ্য সরবরাহকারী হিসেবে বাংলাদেশের পথ উন্মোচিত হচ্ছে বলে মনে করেন তিনি।

জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ২ দেশ অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করছে- একথা উল্লেখ করে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় টেকসই উন্নয়নের জন্য যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে ১০ থেকে ১৫ মিলিয়ন ডলার সরবরাহ করে থাকে। যাতে বাংলাদেশ তাদের স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে বন ধ্বংস না করতে সচেতন করে। কারণ এই বনই বঙ্গোপসাগরের পানির স্তর ও উপকুলীয় জনগোষ্ঠীকে রক্ষা করবে।

তিনি বলেন, পরিবেশের এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমাদের ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে হবে। এর জন্য জলবায়ু রেগুলেটরি, পরিবেশগত জ্বালানি  বৃদ্ধি ও ক্লিন এনার্জির উন্নয়ন ঘটাতে হবে বলে মনে করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত সৌর শক্তি ব্যবহারে জনগণ ও বিটি বেগুন চাষে কৃষককে উৎসাহিত করার কথাও বলেন।

এফইকেবি’র চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে সেমিনারে ফোরামের নেতৃবৃন্দ ও পরিবেশ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

এসইউএম/এসএম