লেনদেন ও সব সূচক কমেছে

0
105
Share-Market
সূচকের পতন
Share-Market
সূচকের পতন

সমাপ্ত সপ্তাহে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ উভয় বাজারের লেনদেন ও সব ধরনের সূচক কমেছে। আলোচিত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন কমেছে ১৭ শতাংশ। আর সিএসইতে কমেছে ২৯ দশমিক ৮১ শতাংশ। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বাজারের এ অবস্থা সম্পর্কে ডিএসই’র সাবেক সভাপতি ও বর্তমান পরিচালক শাকিল রিজভী অর্থসূচককে বলেন, বাজারের এ অবস্থায় সামনে একটি সম্ভাবনার দ্বার খুলছে। যদি পুঁজিবাজারে লেনদেন ও সূচক একত্রে কমে তাহলে এ সম্ভাবনা তৈরি হয় বাজার বাড়ার। আর যদি দু্টি একত্রে না কমে বা না বাড়ে তাহলে আশংকা থাকে বাজার পড়ে যাওয়ার।

তিনি বলেন, লেনদেনে শাহজিবাজার পাওয়ার ও খান ব্রাদার্সের শেয়ারের দর পতনের প্রভাব পড়েছে।

তিনি বলেন, এটি বাজারের স্বাভাবিক আচরণ। এতে ভয়ের কোনো কারণ নেই। সামনে বাজার ভালো হবে বলে আশা করেন তিনি।

সূত্র মতে, আলোচিত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৩ হাজার ১৩৫ কোটি ৬ লাখ ২৬ হাজার টাকা মূল্যর শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আগের সপ্তাহে এর পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৭৭১ কোটি ৯৩ লাখ ৩১ হাজার টাকা। এ হিসাবে সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইতে লেনদেন কমেছে ৬৪৩ কোটি ১৩ লাখ ৬৬ হাজার টাকা বা ১৭ শতাংশ।

লেনদেনের পাশাপাশি সব ধরনের সূচকও কমেছে ডিএসইতে। আলোচিত সপ্তাহে ডিএসই প্রধান সূচক বা ডিএসইএক্স সূচক ৮৪ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৭০ শতাংশ কমেছে। আর ডিএসই-৩০ সূচক কমেছে ২ দশমিক ৪৪ শতাংশ বা ৪৫ পয়েন্ট। আর ডিএসই শরীয়া সূচক কমেছে ২ দশমিক ৪৫ শতাংশ বা ২৮ পয়েন্ট।

আলোচিত সপ্তাহে ডিএসই’র মোট লেনদেনে ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানিগুলোর অংশ ছিল ৭৭ দশমিক ৭৯ শতাংশ, ‘বি’ ক্যাটাগরির ২ দশমিক ০৮ শতাংশ, ‘এন’ ক্যাটাগরির ১৭ দশমিক ৯৩ শতাংশ এবং ‘জেড’ ক্যাটাগরির লেনদেন ছিল ২ দশমিক ২০ শতাংশ।

গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩১৭টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৮৯টির কমেছে ২২৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৩টির দাম। আর লেনদেন হয়নি ১টি কোম্পানির।

এ দিকে একই অবস্থা ছিল সিএসইতে। গত সপ্তাহে লেনদেন কমেছে ৯৪ কোটি ৮৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা বা ২৯ দশমিক ৮১ শতাংশ। আর সিএএপিআই সূচক কমেছে ১ দশমিক ৫৪ শতাংশ বা ২৩৭ পয়েন্ট। সিএসই৩০ সূচক কমেছে ০ দশমিক ৬৯ শতাংশ বা ৮৭ পয়েন্ট এবং সিএসসিএক্স কমেছে ১ দশমিক ২৪ শতাংশ বা ১১৭ পয়েন্ট।

অর্থসূচক/জিইউ