‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’

উত্তম প্রতীক

0
61
s. tendulkar
শচীন টেন্ডুলকার

শচীনের সুখস্মৃতির চারণভূমি বাংলাদেশ। এ দেশের মাটিতেই এসেছে তার বহু আরাধ্য শততম আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরি। টেস্টে তার সর্বোচ্চ ২৪৮ রানের ইনিংসটিও এ মাটিতেই। ২০০৪ সালের ডিসেম্বরে ওই সেঞ্চুরির মাধ্যমেই তিনি ভেঙেছিলেন সুনীল গাভাস্কারের ৩৩ টেস্ট সেঞ্চুরির রেকর্ড। সব মিলিয়ে তিনি ৫ টি টেস্ট শতক ও ২টি ওয়ানডে সেঞ্চুরি যে দেশের মাটিতে করেছেন, সেই মাটি তো তার অনেকটা আপনই হবে।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগে নতুন নামকরণ হওয়া ক্লাব লিজেন্ড অব রূপগঞ্জের লোগো উন্মোচন অনুষ্ঠানে বক্তব্যে শচীন প্রথমে খাঁটি বাংলায় বলেন, আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি। এসময় পুরো হলরুম করতালিতে মুখরিত হয়ে ওঠে। এর পর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে আরও এগিয়ে যাওয়ার শুভকামনা করেন।

লিজেন্ড অব রূপগঞ্জের পক্ষ থেকে শচীন টেন্ডুলকারকে নকশি কাঁথা উপহার দেওয়া হয়
লিজেন্ড অব রূপগঞ্জের পক্ষ থেকে শচীন টেন্ডুলকারকে নকশি কাঁথা উপহার দেওয়া হয়

বক্তব্যে তিনি লুৎফর বাদলকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, এই দলে সাকিব-তামিমের মতো খেলোয়াড় আছে এখানে আরও লিজেন্ড তৈরী হবে। বাংলাদেশের মাটিতে তার গড়া রেকর্ডের কথাও বলেন তিনি।

উল্লেখ্য, ক্রিকেট কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকার মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে হোটেল সোনারগাঁওয়ে পৌঁছান। এর পর লুৎফর বাদলের হাত ধরে ক্রিকেটের অগ্রযাত্রার একটি ভিডিও এবং ২৪ বছর ধরে শচীন টেন্ডুলকারের ক্রিকেট জীবনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ মুহুর্ত তুলে ধরা হয়।

তারপর জমকালো লেজার শো এর মাধ্যমে শচীনের জন্মের সাল ১৯৭৩ থেকে ২০১৪ সালে আজকে ঢাকায় আসা পর্যন্ত দেখানো হয়। সেখানে ১৯৮৯ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১ম ম্যাচ, সেঞ্চুরির সেঞ্চুরির মুহূর্ত, ২০০৩ সালে বিশ্বকাপ জয়, ২০০তম টেস্ট খেলার মুহূর্ত তুলে ধরা হয়।
লিজেন্ড অব রূপগঞ্জের পক্ষ থেকে শচীনকে নকশিকাঁথা ও চিত্রকর্ম উপহার দেওয়া হয়।

প্রসঙ্গত, ২০১২ খ্রিষ্টাব্দের ২৩শে ডিসেম্বর শচীন একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে এবং ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দের মে মাসে আন্তর্জাতিক টি২০ ক্রিকেট থেকে অবসর নেন। ১৬ই ডিসেম্বর ২০১৩ মুম্বাই শহরের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ২০০তম টেস্ট ম্যাচ জয়লাভ করে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণ করেন।