প্রার্থীদের বেড়েছে সম্পদ ও খুনের মামলা

0
81

sujon2আগামি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ৫৪০ জন প্রার্থীর মধ্যে ১২ জনের বিরুদ্ধে ৩০২ ধারায় খুনের মামলা সহ ৬০ জনের বেশি প্রার্থীদের বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা বলে তথ্য প্রকাশ করেছে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে সুজন আয়োজিত ‘দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীদের তথ্য প্রকাশ’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার এ তথ্য প্রতিবেদন প্রকাশ করেন।

তিনি জানান, ৩০২ ধারায় মামলা রয়েছে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ১৫৩ জনের মধ্যে ৩ জন ও বাকী ১৪৭ আসনের ৩৮৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ৯ জনের নামে খুনের  মামলা রয়েছে।

এই ৫৪০ জনের মধ্যে  ৫৯ জনের বিরুদ্ধে বর্তমানে মামলা আছে। কিন্তু এদের ৪৭ জনের বিরুদ্ধে অতীতে ৩০২ ধারায় খুনের মামলা ছিল।

এ সময় সম্পদের তথ্যে জানানো হয়, প্রার্থীদের মধ্যে ৫ কোটি টাকারও বেশি মালিক ১০৩ জন প্রার্থী। যাদের মধ্যে ৫৫ জন নির্বাচিত ঘোষণার জন্য অপেক্ষমান। নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে রয়েছে ৪৮ জন।

প্রতিদ্বন্দ্বীদের বাৎসরিক আয়ে জানানো হয়েছে এক কোটি টাকার বেশি আয় করেন ৬০ জন। নির্বাচিতদের মধ্যে রয়েছে ২৮ জন। নির্বাচন করবেন যারা তাদের মধ্যে আছে ৩২ জন।

৩০০ আসনের ৫৪০ প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কে তিনি বলেন, এদের মধ্যে ৩৮২ জনের শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক বা স্নাতকোত্তর। অপরদিকে এসএসসি বা তার চেয়ে কম শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পন্ন প্রার্থীর সংখ্যা ৯৩ জন।

প্রার্থীদের পেশা সম্পর্কে সুজনের নির্বাহী সম্পাদক বলেন, মোট প্রার্থীর মধ্যে ২৮২ জনের পেশা ব্যবসা, কৃষির সাথে জড়িত ৪০ জন, চাকরি করেন ৩০ জন, আইনপেশায় রয়েছে ৬৩ জন, গৃহিণী হিসেবে রয়েছে ৫ জন এবং অন্যান্য পেশায় ৯২ জন। তবে ১৯ জন প্রার্থীর পেশার কথা উল্লেখ করা হয়নি দাখিলকৃত মনোনয়নপত্রে।

তিনি জানান, এসব প্রার্থীর মধ্যে ২৭৭ জনের ১ থেকে ৫ কোটির মধ্যে সম্পদ রয়েছে এবং ৫ কোটির উপরে সম্পদ রয়েছে ১০৩ জনের।

এদের মধ্যে ২২৬ জন ঋণ গ্রহিতা এবং এদের মধ্যে ৫ কোটির উপরে ঋণ নিয়েছেন ৩৯ জন ও ১ থেকে ৫ কোটির মধ্যে ঋণ নিয়েছেন ৪১ জন।

তিনি প্রার্থীদের আয় কর প্রদানের ব্যাপারে বলেন, এদের মধ্যে মাত্র ২৭১ জন আয়কর প্রদাণ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- সংগঠনের নির্বাহী সদস্য বিচারপতি কাজী এবাদুল হক, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ড. জাফর উল্লাহ চৌধুরী, জাতীয় কমিটির সদস্য ড. শাহদীন মালিক প্রমূখ।

জেইউ/