‘বিচারপতি অপসারণ আইনের আগে সবার মত নেওয়া হবে’

0
73

Anisul...বিচারপতি অপসারন আইন প্রণয়নের আগে আইনজ্ঞ ও সুশীল সমাজসহ সবার মতামত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল হক।

শনিবার সকালে হোটেল সোনারগাঁওয়ে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের একথা জানান তিনি।

আনিসুল হক বলেন, ‘সংসদে অপসারণের বিষয়ে বিল পাস হলে তা কার্যকরেরর জন্য একটি আইন প্রনয়ণ করতে হবে। সেখানে আইনে অভিযুক্ত বিচারকদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ থাকবে। আর এ আইন প্রনয়ণের আগে আইনজ্ঞ, সুশীল সমাজসহ সবার মতামত নেওয়া হবে।’

ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত ‘বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সংরক্ষণ কমিটি’র মতামত নেওয়া হবে কী না এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, তাদেরও মতামত নেয়া হবে। তবে সংসদে বিল পাসের বিষয়ে কোনো মতামত গ্রহণ করা হবে না।

উল্লেখ, গত ৭ সেপ্টেম্বর বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদের কাছে ফিরিয়ে দিতে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনের প্রস্তাব সংসদে উত্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১০ সেপ্টেম্বর আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভায় সংবিধান (ষোড়শ সংশোধন) বিল ২০১৪’র রিপোর্ট চূড়ান্ত করা হয়।

বিলটি পাস হলেও সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অপসারণের পদ্ধতি নির্ধারক আইন না হওয়া পর্যন্ত এই সংশোধনী কার্যকর হবে না।

গত ১৮ আগস্ট সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী আইনের খসড়া অনুমোদন করে মন্ত্রিসভা।

১৯৭২ সালের সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের আলোকে এই সংশোধনী আনা হয়েছে। ১৯৭২ সালের সংবিধানে বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদের কাছে ন্যস্ত ছিল।

পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান সামরিক ডিক্রি জারি করে ওই অনুচ্ছেদ বাতিল করেন এবং বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা ‘সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের’ কাছে ন্যস্ত করা হয়।