রেড জোনে ৪০ কোম্পানি

0
81
danger-sign
পুঁজিবাজারে ৪০ কোম্পানির পিই রেশিও ৪০ ছাড়িয়ে বিপদজনক অবস্থানে পৌঁছেছে
danger-sign
পুঁজিবাজারে ৪০ কোম্পানির পিই রেশিও ৪০ ছাড়িয়ে বিপদজনক অবস্থানে পৌঁছেছে

পুঁজিবাজারের সাম্প্রতিক উর্ধগতিতে মূল্য-আয় অনুপাত বা পিই রেশিও (Price Earning Ratio) বেড়ে গেছে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের। এদের মধ্যে ৪০ কোম্পানির শেয়ারের পিই রেশিও ৪০ ছাড়িয়েছে। এসব কোম্পানিতে বিনিয়োগকে তুলনামূলক ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

পুঁজিবাজার বিশ্লেষকরা ৪০ এর বেশি পিইকে বিপদজনক বা রেডজোন মনে করেন। খোদ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ৪০ এর চেয়ে বেশী পিইধারী কোম্পানির শেয়ারে মার্জিন ঋণ সুবিধা নিষিদ্ধ করেছে।

আলোচিত কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১২ টির পিই রেশিও ১০০ বা তার বেশি।

উল্লেখ, পিই রেশিও হচ্ছে কোনো শেয়ারের আয়ের বিপরীতে তার বাজার মূল্যের অনুপাত। শেয়ারের বাজার মূল্যকে তার আয় বা ইপিএস দিয়ে ভাগ করলে পিই রেশিও পাওয়া যায়।যে শেয়ারের পিই রেশিও যত বেশি, সেটিকে বিনিয়োগের জন্য তত ঝুঁকিপূর্ণ মনে করেন অনেক বিশ্লেষক। তবে এ নিয়ে বিতর্কও আছে। আর কত পর্যন্ত পিই রেশিও নিরাপদ তার কোনো সুনির্দিষ্ট মাপকাঠি নেই।

তবে বিশ্লেষককরা মনে করেন, কোনো কোম্পানির ব্যবসায় উচ্চ প্রবৃদ্ধি থাকলে বা সেটি ব্যবসা সম্প্রসারণ পর্যায়ে থাকলে পিই রেশিও কিছুটা বেশি হলেও তা ঝুঁকিপূর্ণ নয়। অন্য দিকে ব্যবসায় স্থবিরতা থাকলে কম পিইও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্য অনুসারে, গত বৃহস্পতিবার লেনদেন শেষে সবচেয়ে বেশি পিই রেশিও ছিল মুন্নু জুট স্টাফলারের। এর পিই ৩৯৮। ৩৭২ পিই নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে ছিল বিডি অটোকার। এর পর ছিল বিকন ফার্মা (৩৫০), সমতা লেদার (২৫০), সোনালী আঁশ ১৬২, বিডি ল্যাম্পস ১২১, সাভার রিফ্রেক্টরিজ ১১৪, লিবরা ইনফিউশন ১০৫, লিগাসী ফুটওয়্যার ১০৪, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং ১০৩, মুন্নু সিরামিকস ১০২ এবং দেশ গার্মেন্টস ১০১।

পিই ৭০ থেকে ১০০ এর মধ্যে এমন শেয়ারগুলো হচ্ছে বঙ্গজ, হাক্কানী পেপার, মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ, এমবি ফার্মা, আলহাজ্ব টেক্সটাইল, রেনউইক যজ্ঞেশ্বর। অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে- আরামিট সিমেন্ট, ইস্টার্ন ক্যাবল, ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস, ডেসকো, সাবমেরিন ক্যাবল, আইএসএন, এটলাস বাংলাদেশ, লাফার্জ সুরমা, জিকিউ বলপেন, বিডি ফাইন্যান্স, মডার্ন ডায়িং, বেক্সিমকো, শমরিতা হাসপাতাল, সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ, কোহিনুর কেমিক্যাল, ন্যাশনাল টিউব, গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স, এসিআই, জিমিআই সিরিঞ্জ ও এসিআই ফর্মুলেশন।