‘রাষ্ট্র প্রতিবন্ধীদের সম্ভাবনা অস্বীকার করতে পারে না’

0
54
pmhasina
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-ফাইল ছবি
pmhasina
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-ফাইল ছবি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা মোট জনসংখ্যায় প্রতিনিধিত্ব সংখ্যক না হওয়ার অজুহাতে কোনো রাষ্ট্র তাদের বর্তমান ও ভবিষ্যত সম্ভাবনা ও মূল্যকে অস্বীকার করতে পারে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অটিজম আক্রান্তরা কোনোভাবেই রাষ্ট্রের বোঝা নয়। সঠিক পরিচর্যা ও সেবা পেলে তাদের অনেকে নিজেদের যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখতে পারবে।

বৃহস্পতিবার হোটেল সোনারগাঁওয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আয়োজিত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও আঞ্চলিক কমিটির সভায় অটিজম বিষয়ক পার্শ্ব ইভেন্টে ভাষণকালে এ কথা বলেন।

বিশ্বমানের অনেক মনীষী আছেন যারা অটিজমে আক্রান্ত এ কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, সঠিক পরিচর্যা, সমাজের সহানুভূতি ও সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা পেলে বাংলাদেশের অনেকেই নিজেদের ওই উচ্চতায় নিয়ে যেতে সক্ষম হবে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের সামর্থ্যরে সীমাবদ্ধতা রয়েছে। কিন্তু আন্তরিকতার ঘাটতি নেই। সীমিত সম্পদ নিয়েই প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাবে। এ লক্ষ্যে নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী ইতোমধ্যে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান, চলাফেরা ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কিত (মেন্টাল হেলথ) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক্সপার্ট এ্যাডভাইজরি প্যানেলের সদস্য ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা হোসেন গোলটেবিল বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। একই সঙ্গে তিনি অটিজমের উপর গ্লোবাল অটিজম শীর্ষক মূল নিবন্ধ (কি নোট পেপার) উপস্থাপন করেন।

অনুষ্ঠানে জনস হপকিনস, বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্লুমবার্গ স্কুল অব পাবলিক হেলথের ডীন ড. মাইকেল ক্লাগ জনস্বাস্থ্যের প্রেক্ষাপটে অটিজম বিষয়ে নিবন্ধ উপস্থাপন করেন। এছাড়া কুয়েত সেন্টার ফর অটিজমের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক এবং বিশ্ব অটিজম অর্গানাইজেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. সামিরা আল সাদ এ বিষয়ে মা-বাবা ও সাংগঠনিক দৃষ্টিকোন থেকে নিবন্ধ উপস্থাপন করেন।

এরপর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক ড. পুনমে ক্ষেত্রাপলের সঞ্চালনে সাধারণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন, ভুটানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী লিওনপো তানদিন ওয়াংচুক, বৃটেন, কানাডা, ইতালী, তুরস্ক, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূত ও চীনের চার্জ দ্য এ্যাফেয়ার্স এবং ইউএসএইড, ইউএনডিপি, ইউএনএফপিএ, ইউনিসেফ, আইসিআরসি এবং বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধিরা আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।

সূত্র: বাসস