‘মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হতেই ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা’

0
100
অর্থমন্ত্রী মোস্তফা কামাল
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার বিষয়ে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখছেস পরিকল্পনামন্ত্রী আফম মোস্তফা কামাল
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার বিষয়ে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখছেস পরিকল্পনামন্ত্রী আফম মোস্তফা কামাল

পরিকল্পনামন্ত্রী আফম মোস্তফা কামাল জানিয়েছেন, ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার লক্ষ্যেই ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে। এ পরিকল্পনায় দেশের সব মানুষের অংশগ্রহণ থাকবে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার বিষয়ে মতবিনিময় সভায় এ কথা জানান তিনি।

এসময় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. ফরাস উদ্দিন আহমেদ, সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. মোস্তাফিজুর রহমান, পরিকল্পনা সচিব ভুঁইয়া সফিকুল ইসলামসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের প্রধান লক্ষ্য ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করা। দেশের অর্থনীতি যেভাবে এগোচ্ছে তাতে এটি অসম্ভব কিছু না। পরিকল্পনা কমিশন থেকে দেশের সব জনগণকে সম্পৃক্ত করে সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আপনারা যারা দেশের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করেন তাদেরকে এ কাজে সম্পৃক্ত হওয়ার জন্য আমি আহ্বান করছি। প্রত্যেকের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করে আপনাদের সবার মতামতের ভিত্তিতে আমরা এ কাজটি সম্পাদন করতে চাই।’

তিনি বলেন, ‘ষষ্ঠ পঞ্চমবার্ষিক পরিকল্পনার ৪র্থ বছর চলছে। ইতোমধ্যে ২০১৬-২০ মেয়াদের জন্য সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়নের কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। সরকার কিছু লক্ষ্যমাত্রাকে সামনে রেখে তার কার্যক্রম এগিয়ে নিচ্ছে, যার অন্যতম হলো ২০২১ সালের মধ্যে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করা, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া, সকল শিশুকে স্কুলে পাঠানো ও দেশকে একটি ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে রূপান্তর করা।

তিনি আরও বলেন, আমাদের পরবর্তী লক্ষ্য হচ্ছে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশকে দারিদ্র্যমুক্ত করা এবং একটি জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তুলে ২০৪০ সাল নাগাদ দেশকে পৃথিবীর যে কোনোও উন্নত দেশের কাতারে নিয়ে যাওয়া। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে এবার যে পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে তা শুধুমাত্র একটি মৌলিক দলিল হিসেবে কাজ করবে না। এটি ভবিষ্যতে প্রণীতব্য যে কোনো পরিকল্পনা দলিলের সেতুবন্ধন হিসেবেও কাজ করবে।

পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আমাদের মূল চ্যালেঞ্জ হবে অর্থনৈতিক সাপোর্ট। বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান কম আসলেও বৈদেশিক রেমিটেন্সের পরিমাণ অনেক বেড়ে যাওয়ায় এ সমস্যা থাকবে না।

আগামী ৫ বছরের মধ্যে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ ২২ থেকে ২৩ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানান তিনি।

এইউ নয়ন