‘কারখানায় ৪৫ ধরনের ত্রুটি আছে’

0
58
jarsi-export

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক তৈরি পোশাক ক্রেতা জোট অ্যালায়েন্স জানিয়েছে, পরিদর্শন করা কারখানাগুলোতে গড়ে ৪৫ ধরনের ত্রুটি রয়েছে। এর মধ্যে ৫০ শতাংশ কারখানায় সংস্কার কাজ শেষ হয়েছে।

jarsi-export
কারখানায় জার্সি তৈরির কাজে গার্মেন্টস শ্রমিকরা- ফাইল ছবি

বুধবার বিকেলে অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি (অ্যালায়েন্স) এর কার্যালয়ে কারখানার নিরাপত্তা উন্নয়ন অগ্রগতি বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে অ্যালায়েন্স বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক মেসবাহ রবিন বলেন, অ্যালায়েন্স ইতোমধ্যে সবগুলো কারখানা পরিদর্শন শেষ করেছে। এর মধ্যে ১৬টি কারখানাকে রিভিউ প্যানেলে পাঠায় ক্রেতা জোটটি। ৫টি কারখানা পুরোপুরি বন্ধ, ৯টি কারখানা আংশিকভাবে চলছে ও ২টি কারখানার ওজন কমানোর কথা বলা হয়েছে।

তিনি বলে, সংস্কারের জন্য বন্ধ হওয়া কারখানার কর্মচ্যুত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৪ মাস পর্যন্ত মজুরির ৫০ শতাংশ প্রদান করা হয়েছে অ্যালায়েন্সের পক্ষ থেকে। বাকি ৫০ শতাংশ কারখানার মালিক প্রদান করেছেন। ১০০০ শ্রমিককে মোট ৫০ লাখ মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হয়েছে।

কারখানাগুলোর প্রয়োজনীয় মেরামতের জন্য সহজ শর্তে ঋণ প্রদানের জন্য নতুন একটি তহবিল গঠন করা হয়েছে। কারখানার মান পরিবর্তন ও সংস্কারের জন্য ১০০ মিলিয়ন ডলার অর্থ বরাদ্দের তহবিল গঠন করা হয়েছিল। এতে আরও ২০ মিলিয়ন ডলার অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হবে।

মেসবাহ আরও বলেন, দ্বিতীয় বছরে অ্যালায়েন্সের অন্তর্ভূক্ত কারখানার সংস্কার কার্যক্রমকে আরও গুরুত্ব দিবে। যাতে কঠোর নিরাপত্তার মানদণ্ডের সঙ্গে কারখানাগুলোকে সঙ্গতিপূর্ণ করে তোলা যায়। তবে সরকারি সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা, ট্রেড ইউনিয়নের সীমিত উপস্থিতি ও গ্রহণযোগ্যতা এবং আধুনিক নিরাপত্তা সরঞ্জামের অভাব রয়েছে কারখানাগুলোতে।

ইতোমধ্যে ৫৮৭টি কারখানা পরিদর্শন করেছে অ্যালায়েন্স। এক মিলিয়নেরও বেশি শ্রমিককে ইতোমধ্যে প্রশিক্ষণের কাজ শেষ হয়েছে।

২৪ ঘণ্টা সেবা প্রদানের জন্য ৫৬টি কারখানায় হেল্প লাইন চালু করেছে অ্যালায়েন্স। শ্রমিকরা নাম গোপন রেখে তাদের নিরাপত্তা সম্পর্কিত উদ্বেগের কথা জানাতে পারবেন এখানে। চলতি বছরের নভেম্বের মধ্যে ২৫০টি কারখানাতে এই লাইন চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এমই/