ডিএসইর বোর্ড সভায় সাইফ পাওয়ারটেক-আরএসআরএম

0
120
rsrm-steels-saif
দুই কোম্পানির লোগো
দুই কোম্পানির লোগো
দুই কোম্পানির লোগো

সম্প্রতি প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজারে আসা সাইফ পাওয়ারটেক  লিমিটেড ও রতনপুর রি-রোলিং স্টীল মিলের (আরএসআরএম)  তালিকাভুক্তির বিষয়ে এখনো কোন সিদ্ধান্ত হয় নি। আজকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালনা পর্ষদের  বৈঠকে শেয়ার দুটির তালিকিাভুক্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, ডিএসইর পর্ষদ সভায় কোম্পানি দুটির তালিকাভুক্তির সিদ্ধান্ত হলে সিডিবিএলের মাধ্যমে লটারিতে বরাদ্দ প্রাপ্ত শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবে জমা হবে।এর পরেই কোম্পানি দুটির আবেদনের প্রেক্ষিতে লেনদেনের সিদ্ধান্ত নেবে ডিএসই।

সাইফ পাওয়ারটেক

এর আগে সাইফ পাওয়ারটেক ৭ আগস্ট আইপিওর লটারির ড্র সম্পন্ন করে। আইপিওতে কোম্পানিটির চাহিদার বিপরীতে ৩৪০ কোটি ৬২ লাখ টাকার আবেদন জমা পড়ে। কোম্পানিটি ২০ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৩০ টাকা মূল্যে বাজারে ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ার বিক্রি করে। আর এর মাধ্যমে বাজার থেকে সংগ্রহ করে ৩৬ কোটি টাকা।

সে হিসাবে কোম্পানিটির চাহিদা থেকে ৯ দশমিক ৪৬ শতাংশ বেশি আবেদন পড়েছে।

এর আগে বাংলাদেশ সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫১৫তম সভায় এই কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়। এর প্রেক্ষিতে গত ৬ জুলাই থেকে ১০ জুলাই পর্যন্ত আবেদন জমা নেয়া হয়।

জানা গেছে, উত্তোলিত টাকা নতুন ব্যাটারি প্রকল্প এবং আইপিওর কাজে ব্যয় করবে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ।

এই কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে  আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

আরএসআরএম

এদিকে আরএসআরএম আইপিও লটারির ড্র অনুষ্ঠান সম্পন্ন করে গত ১৪ আগস্ট।

আইপিওতে কোম্পানিটির ৫৮৯ কোটি টাকার আবেদন জমা পড়েছে। যা মোট আবেদনের প্রায় ছয়গুণ। আইপিওতে আরএসআরএম এর ১০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করার কথা ছিল।

এর আগে গত ১৩ জুলাই থেকে কোম্পানিটির আইপিও’র আবেদন জমা নেওয়া শুরু হয়। নিবাসী বিনিয়োকারীরা ১৭ জুলাই পর্যন্ত আবেদন করেন। আর অনিবাসী বাংলাদেশীরা তাদের আবেদন পৌঁছানোর জন্য ২৬ জুলাই পর্যন্ত সময় ছিল।

গত ৬ মে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)আরএসআরএমের আইপিও অনুমোদন দেয়। আইপিওতে কোম্পানিটি আড়াই কোটি শেয়ার ছাড়ে। প্রতি শেয়ারে ৩০ টাকা প্রিমিয়ামসহ নেওয়া হচ্ছে ৪০ টাকা।

উত্তোলিত টাকা দিয়ে কোম্পানিটি চলতি মূলধন অর্থায়ন, ঋণ পরিশোধ এবং আইপিওর খরচে ব্যয় করবে।

এই কোম্পানির ইস্যুয়ার হিসেবে কাজ করছে জনতা ক্যাপিটাল অ্যন্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং ট্রাস্ট ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

অর্থসূচক/এসএ/