কালো পতাকা প্রদর্শন ও বিক্ষোভ মিছিল ২ জানুয়ারী

ainjibiআগামি ২ জানুয়ারী সারাদেশে আইনজীবী সমিতিতে কালো পতাকা প্রদর্শন ও বিক্ষোভ মিছিল করবে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী পরিষদ।

খালেদা জিয়াকে অবরুদ্ধ, সুপ্রীমকোর্টে মহিলা আইনজীবীদের  নির্যাতন, প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের উপর হামলা এবং আটক আইনজীবীদের মুক্তির দাবিতে এ কর্মসুচি পালন করবে সংগঠনটি।

মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের হলরুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচির ঘোষণা করা হয়।

অনুষ্ঠানে সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া জানান, ২৯ ডিসেম্বর সুপ্রীমকোর্ট প্রাঙ্গনে যদি সাংবাদিক বন্ধুরা এগিয়ে না আসতেন তাহলে সিমকি ইমাম খান, রেহানা পারভিন, জেসমিন জাহান, মুক্তিরা আরেকটা বিশ্বজিতের মতো অবস্থা হতো। বর্তমানে চারজন মহিলা আইনজীবী আশংকাজনক অবস্থায় আছে বলে জানান তিনি।

এ সময় তারা হামলাকারীদের চিহ্নিত করে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

কর্মসূচি ঘোষণা করে সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এডভোকেট সানা উল্লাহ মিয়া অভিযোগ করে বলেন, ২৯-৩০ ডিসেম্বর আইনজীবীদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে সরকার দলীয় সন্ত্রাসীরা নগ্ন হামলা চালিয়েছে।

সানা উল্লাহ অভিযোগ করে বলেন, মহিলা আইনজীবীদের সভ্রম কেড়ে নেওয়া, নির্যাতন ও স্বর্ণালংকার লুট করেছে। পুলিশ সেখানে উপস্থিত থাকলেও কোন ভুমিকা নেননি। অথচ সরকারের এ বাহিনীটি কয়েকজন আইনজীবীকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে গ্রেপ্তার করে তাদের উপর অমানবিক নির্যাতন চালাচ্ছে।

তিনি সুপ্রিম কোর্টের মতো একটি পবিত্র জায়গা, প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী, শিক্ষকদের ওপর হামলা ও বেগম জিয়ার বাড়ির সামনে বালির ট্রাক দিয়ে অবরুদ্ধ করার তীব্র নিন্দা জানান।

আইনজীবীদের ওপর হামলা ও দোষিদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে ২ জানুয়ারি ঢাকা বার এসোসিয়েশনে দুপুর বারোটায় ও সারাদেশে আইনজীবীরা তাদের সুবিধাজনক সময়ে কালো পতাকা হাতে মিছিল করবে বলে জানান তিনি।

হামলাকারী সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করে অনতিবিলম্বে গ্রেফতার ও আইনের আওতায় নিয়ে আসার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, যদি এ সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করা না হয় তাহলে ২ জানুয়ারি পর নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে এবং নির্যাতিত আইনজীবীরা সুস্থ হয়ে আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার অভিযোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, বেগম জিয়া বলেছে গোপালগঞ্জের নাম থাকবেনা।কিন্তু বেগম জিয়া বলেছে, গোপালগঞ্জের নাম পাল্টে যাবে। থাকবে না আর পাল্টে যাবে এক নয়। এতে কোন মানহানি হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। এ সময় তিনি মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।

 

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট খোরশেদ আলম, এডভোকেট আজিজুল হক বাচ্চু, রাজ্জাক, হাসান প্রমূখ।

জেইউ/