কুড়িতেই করা উচিত যে ২০ কাজ
রবিবার, ৩১শে মে, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » লাইফস্টাইল

কুড়িতেই করা উচিত যে ২০ কাজ

Youth

কুড়িতেই করা উচিত ২০ কাজ। ফাইল ছবি

তথ্য-প্রযুক্তির এই যুগে সময়ের সাথে তাল মেলাতে পরিবর্তিত হচ্ছে আমাদের চারপাশ। ধারণার চেয়েও বেশি গতিতে পাল্টাচ্ছে কাজের ধরন, আচার-আচরণসহ প্রায় সবকিছুই। তবে সব কাজ সব সময় করা যায় না। তাই ভালো কাজ সময় মতোই করা উচিত। তা না হলে যে সারাজীবন পস্তাতে হবে।

কুড়িতেই যে ২০ কাজ করা উচিত তা নিয়ে সম্প্রতি কসমোপলিটন ডটকম প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। কাজগুলো এমন …

১. ডেট করা:

কাউকে পছন্দ করা কিংবা কাউকে ভালোবাসার একটা উৎকৃষ্ট সময় এটা। তাই পছন্দের জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে এই সময়ের বিকল্প নেই।

২. সামনে এগিয়ে চলুন:

কুড়ি বছরে টাকা-পয়সা খরচের চেয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়টা কীভাবে ব্যয় করছেন? এ সময় ভিন্ন ভিন্ন সংস্কৃতির সাথে তার মিলিয়ে চলতে শিখুন। তার মধ্য থেকে যেটা ভালো লাগে সেটা গ্রহণ করুন। তবে খাবারের ব্যাপারে উদারচেতা হতে ভুলবেন না যেন।

৩. উৎসবে পছন্দের পোশাক পরুন:

সঙ্গীত কিংবা উৎসবে নিজের পছন্দমতো পোশাক পরিধান করুন। কারণ নিজের ইচ্ছাকে প্রাধান্য দেওয়ার এটাই উৎকৃষ্ট সময়।

৪. গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি সংগ্রহে রাখুন:

কুড়ি বছর বয়সে পরিবার ও বন্ধুদের সাথে ইচ্ছামতো ছবি তুলুন। আর আগামীর জন্য তা সংগ্রহে রাখুন। কারণ ভবিষ্যতে এগুলোই আপনার একাকি                                                                   ত্বের সঙ্গী হবে।

৫. কখনও করেননি এমন কাজ করুন:

ড্রাগ জাতীয় কোনো কিছু আগে কখনই গ্রহণ করে না থাকলে এই বয়সে তা নিতে পারেন। এমনকি ইয়োগা করার মতো ভালো কাজটিও কিন্তু এই বয়সেই করতে পারেন আপনি। তবে অবশ্যই নতুনদের সাথে পরিচিত হতে ভুলবেন না।

৬. যেকোনো জায়গায় খাওয়া:

মন যখনই কোনো জায়গায় খেতে চাইবে তখনই সে ইচ্ছাটা পূর্ণ করুন। কারণ এই সময়ে যত সহজে আপনি আপনার ইচ্ছা পূরণ করতে পারবেন অন্য সময়ে তা করা হয়তো সম্ভব নাও হতে পারে।

৭. সবুজ রঙের পানীয় পান করুন:

এটি খেলে ওজন বাড়বে না, আবার শরীরের ভারসাম্যও ঠিক থাকবে। তাই কুড়িতেই বেশি করে সবুজ রঙের পানীয় পান করা উচিত, বিশেষ করে নারীদের।

৮. বাবা-মায়ের সাথে সময় কাটান:

২০ বছর বয়স বাবা-মায়ের সাথে সময় কাটানোর উৎকৃষ্ট সময়ও। কারণ বয়স বাড়ার সাথে সাথে তারা সন্তানকে কাছে পাওয়ার জন্য আকুল থাকেন। এ সময়ে আপনি যতটা তাদের সময় দিতে পারবেন পরবর্তীতে কাজের চাপে ততটা নাও দিতে পারেন। তাই সময়ের কাজ সময়ে করাই ভালো।

৯. এডিথ ওয়ার্টশনের বই পড়ুন:

বিখ্যাত এ লেখকের দ্য টাচস্টোন এবং নিউ ইয়র্ক স্টোরিস বইটি পড়ুন। কারণ এই বইগুলো লেখাই হয়েছে কুড়ি বছর বয়সীদের জন্য।

১০. জার্নাল/ স্ক্র্যাপবুক রাখুন:

আপনি কোন কোন পানীয় পান করেছেন তা জার্নাল বা স্ক্র্যাপবুকে টুকে রাখুন। পরবর্তীতে এগুলো আপনাকে অনেক কিছু মনে রাখতে সাহায্য করবে।

১১. সুন্দর কালো রঙের একটা ব্লেজার কিনুন:

আধুনিক ফ্যাশনের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে এর বিকল্প নেই। এটি পরিধানে আপনাকে অনেক স্মার্টও দেখাবে।

১২. নাচতে চেষ্টা করুন:

বাসাতে থাকলে নিজে নিজেই নাচার চেষ্টা করুন। এটি যেকোনো পরিস্থিতিতে আপনার আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে তুলবে।

১৩. মাঝেমাঝে মেকআপ ছাড়াই থাকার চেষ্টা করুন:

এতে করে ত্বকের লোমকূপ ভাল থাকবে। ত্বক আরও সুন্দর দেখাবে।

১৪. বিছানায় যাওয়ার পূর্বে শ্বাস নিন:

প্রতি রাতে শুতে যাওয়ার আগে ৫ মিনিট ধরে দীর্ঘ শ্বাস নিন। এতে ঘুমের মধ্যে শরীরে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকবে।

১৫. হেয়ার স্টাইল পাল্টান:

কখনও ছোট, আবার কখনও বড় করে চুলের স্টাইল করতে পারেন। রঙ করে ও নানান ঢঙ্গে চুল বেঁধেও স্টাইল করা যায়। আর ২০ বছরই এই স্টাইল করার উৎকৃষ্ট সময়।

১৬. একদিনের জন্য ফোন রেখে বাইরে যান:

কোন পরিস্থিতিতে আপনি কি শিক্ষা নিবেন এটা উপলব্ধি করার জন্য একদিনের জন্য হলেও ফোনটা রেখেই বাড়ির বাইরে যান। এতে আপনার চেতনা আরও জাগ্রত হবে।

১৭. গাঢ় বেগুনি লিপস্টিক দিন:

সঙ্গীত শিল্পী রিয়ানার মতো আপনিও গাঢ় লিপস্টিক দিতে পারেন। এতে আপনার মাঝে একটাই বোধ জাগ্রত হবে- আপনি সবকিছুই করতে পারবেন।

১৮. বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতি জানুন:

এ সম্পর্কে জ্ঞান থাকলে যে কোনো দেশের সংস্কৃতির সাথে আপনার তাল মিলিয়ে চলা সহজ হবে।

১৯. গোপন বিষয়গুলো শেয়ার করুন:

কুড়িতে যে কোনো কিছু করতে মন চাইলেও গোপন বিষয়গুলো পরিবারের সাথেই শেয়ার করুন। এতে আপনার ভালোই হবে।

২০. ভালো বন্ধুদের সাথে ভ্রমণে যান:

মাঝেমাঝে বন্ধুদের সাথে দূরে কোথাও ঘুরতে যান। এতে ভালো লাগার পাশাপাশি জীবনে বৈচিত্র্য খুঁজে পাবেন।

এএসএ/

এই বিভাগের আরো সংবাদ