চট্টগ্রাম বোর্ডে জিপিএ-৫ বেড়েছে ৪০০ শতাংশ

chittagong-cducation-bordচট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে জেএসসি পরীক্ষায়  জিপিএ-৫ প্রাপ্ত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা গত বছরের তুলনায় বেড়েছে ৪০০ শতাংশ।  সেই সঙ্গে ৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ  বেড়েছে পাশের হার। এদিকে পাশের হারে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা পিছিয়ে থাকলেও জিপিএ-র দিক দিয়ে ১ হাজার ১০৭ জন বেশি পেয়ে এগিয়ে রয়েছে মেয়ে শিক্ষার্থীরা। এবার শতভাগ পাশ করেছে এমন বিদ্যালয়ের সংখ্যাও বেড়েছে গতবারের তুলনায় দ্বিগুণ।

চট্টগ্রাম বোর্ডসূত্রে জানা যায়, এবার পাশের হার গতবারের চেয়ে ৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৬ দশমিক ১৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পাওয়া সংখ্যা গত বছর যেখানে ছিল ৩ হাজার ৫৫৩ জন এ বছর তা বেড়ে দাঁড়ায়েছে ১৪ হাজার ১০৫ জনে। গত বছর শতভাগ পাশ করা বিদ্যালয়ের সংখ্যা ছিল ৫৮টি এ বছর তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৫ টিতে।

এদিকে, পাশের দিক থেকে ছেলেরা এগিয়ে থাকলেও পিছিয়ে রয়েছে মেয়েরা। ছেলেদের পাশের হার যেখানে ৮৭ দশমিক ৩৪ সেখানে মেয়েদের পাশের হার ৮৫ দশমিক ১৬ শতাংশ। তবে পাশের হার ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা ১ দশমিক ১৮ শাতাংশ পিছিয়ে থাকলেও জিপিএ-৫ এর দিক থেকে ছেলেদের তুলনায় ১৭ শতাংশ এগিয়ে রয়েছে তারা। অর্থ্যাৎ ৭ হাজার ৬৫৬ জন ছাত্রী জিপিএ-৫ পেলেও সেক্ষেত্রে ছাত্রের সংখ্যা ৬ হাজার ৪৪৯ জন ।

ফলাফলে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. পীযূষ দত্ত বলেন, তিন পার্বত্য জেলা ও গ্রামে পাশের হার বাড়ায় এ বোর্ডে পাশের হারও বেড়েছে। তাছাড়া ঐচ্ছিক বিষয়টি যুক্ত হওয়ায় বেড়েছে জিপিএ-র সংখ্যাও। রাজনৈতিক অস্থিরতা না থাকলে পরীক্ষার ফলাফল আরও ভাল হতো।

বোর্ড সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম মহানগরে পাশের হার ৯১ দশমিক ৩২, রাঙ্গামাটি জেলায় এবার পাশের হার ৮৪, খাগড়াছড়ি জেলায় ৮৪ দশমিক ৮৫শতাংশ, কক্সবাজার জেলায় ৮৮ দশমিক ১৮ শতাংশ এবং চট্টগাম জেলায় ৮৬ দশমিক ২৬ শতাংশ।

উল্লেখ্য, জেএসসি পরীক্ষ শুরুর বছর ২০১০ সালে পাশের হার ছিল ৭০ শতাংশ, ২০১১ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৭২ শতাংশ এবং ২০১২ সালে তা ছিল ৭৮ শতাংশ।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ২০১৩ সালে জেএসসি পরীক্ষায় ১৯৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লক্ষ ৪০ হাজার ৫৭৯ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা ৬২ হাজার ৬৪৮ জন এবং ছাত্রীর সংখ্যা ৭৭ হাজার ৯১৩ জন।