উত্তপ্ত রাজধানী; উৎকণ্ঠায় নগরবাসী

democracy_march1রাজনীতির উত্তপ্ত হাওয়ায় আবারও উৎকন্ঠায় নগরবাসী। মঙ্গলবার ১৮ দলীয় জোটের নেতা বেগম খালেদা জিয়া সংবাদ সম্মেলনে লংমার্চ কর্মসূচি ঘোষণার পর থেকেই আতংক আর উৎকন্ঠার বৈরী বাতাস বইতে শুরু করে নগরজুড়ে। সহিংসতা, পরিবহন সংকট আর গ্রেপ্তার আতংক চেপে বসেছে নগরবাসীর মাথায়।

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রতিহত করতে ৫ জানুয়ারির আগে শেষ কর্মসূচি হিসেবে লংমার্চ সফল করতে সর্বাত্মক ঘোষণা দেয় বিরোধী দল। অন্যদিকে, যুদ্ধাপরাধী জামায়াত-শিবির কর্তৃক জাতীয় পতাকা অপমানিত করার অপচেষ্টার অভিযোগ এনে লংমার্চ প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছে আওয়ামী লীগ। সে লক্ষে দলীয় নেতাকর্মীদের  প্রস্তুত থাকতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, সম্ভাব্য যেকোনো ধরণের নাশকতা প্রতিরোধে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহন করেছে পুলিশ। ২৬ ডিসেম্বরের পর থেকে আবাসিক হোটেলগুলোতে বোর্ডার নেওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। মসজিদ, মন্দির এমনকি পার্কগুলোতেও তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সারাদেশ থেকে আটক করা হয়েছে আট শতাধিক মানুষ।

নগরের প্রবেশ পয়েন্টসহ বিভিন্নমোড়ে পুলিশি তল্লাশির পাশাপাশি বিভিন্ন বাসায়ও পুলিশি নজরদারির খবর পাওয়া গেছে।

আর সারাদেশে বাস-মালিক সমিতির ধর্মঘটের কারণে সারাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে রাজধানী ঢাকা। অন্যদিকে, পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই নগরীর অভ্যন্তরে সকল ধরণের পরিবহণ চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।

এ অবস্থায় বিরোধী দল তার সিদ্ধান্তে অটল থাকলে যেকোনো সময় বড় ধরণের সহিংস ঘটনাও ঘটে যেতে পারে। নগরবাসীর মনে এখন একটাই প্রশ্ন কি হতে যাচ্ছে ২৯ ডিসেম্বর?

এসএসআর