খুলনায় চাহিদার শীর্ষে তাঁতের শাড়ি
সোমবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » ঈদ ফ্যাশান

খুলনায় চাহিদার শীর্ষে তাঁতের শাড়ি

খুলনার ঈদ বাজার: তরুণীদের পছন্দের শীর্ষে শাড়ি। শিউলি রহমান

খুলনার ঈদ বাজার: তরুণীদের পছন্দের শীর্ষে শাড়ি। শিউলি রহমান

ঈদের কেনাকাটার ধুম পড়ছে চারদিকে। সকাল থেকে গভীররাত পর্যন্ত ক্রেতাদের পদভারে মুখর থাকছে শিল্পনগরী খুলনা। ক্রেতার ভিড় ও পণ্য বিক্রির তোড়জোড়ে হাঁপিয়ে উঠছেন বিক্রেতারা। এসব ক্রেতার মধ্যে ফ্যাশনপ্রিয় নারীরা ছুটছেন বিভিন্ন অভিজাত শাড়ির দোকানে।

দোকানীরা জানান, খুলনায় বরাবরের মতো এবারও নারীদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে শাড়ি। গরম ও বর্ষার সময় ঈদ হওয়ায় দেশীয় তাঁতের শাড়ি ও টাঙ্গাইল শাড়ির চাহিদাই বেশি।

এছাড়া জামদানি, কাতান, রাজশাহী সিল্ক ও জর্জেট শাড়ির কদরও রয়েছে। পাশাপাশি উজ্জ্বল রং ও জমকালো ডিজাইন, ক্যানভাসজুড়ে কারচুপি, এমব্রয়ডারি কিংবা পাথরের কারুকাজ সম্পন্ন শাড়ির চাহিদাও বেশ।

বৃহস্পতিবার সরেজমিনে দেখা গেছে, বিভিন্ন মার্কেটের দোকান ঘুরে শাড়ি দেখছেন এবং কিনছেন নানা বয়সী নারী। পছন্দ না হলে ছুটছেন এক মার্কেট থেকে আরেক মার্কেটে, এক ফ্যাশন হাউজ থেকে আরেক ফ্যাশন হাউজে, এক দোকান থেকে আরেক দোকানে।

তবে নারীরা সবচেয়ে বেশি ভিড় করছেন নগরীর নিউ মার্কেট, খুলনা শপিং কমপ্লেক্স ও জলিল সুপার মার্কেটের শাড়ির দোকানগুলোতে।

জলিল সুপার মার্কেটে শাড়ি কিনতে আসা আযম খান সরকারি কমার্স কলেজের শিক্ষার্থী আসমা সুলতানা বলেন, এবারের ঈদে থ্রি-পিসের পরিবর্তে শাড়ি কিনেছি। প্রতিবারইতো থ্রি-পিস কেনা হয় তাই এবার শখ করে একটি তাঁতের শাড়ি কিনলাম।

নেছাউন নামের এক গৃহবধূ বলেন, অন্য ঈদের চেয়ে এবার অনেক সুন্দর সুন্দর শাড়ি এসেছে। যা দেখে না কিনে থাকা গেলো না।

নাসিমা খাতুন নামের এক শাড়ি ক্রেতা বলেন, গ্রামের আত্মীয়-স্বজন শাড়ি ছাড়া পরে না। তাই তাদের জন্য প্রতি ঈদেই শাড়ি কিনতে হয়।

জলিল সুপার মার্কেটের পালকি শাড়ি দোকানের মালিক অহিদ উল্লাহ হাওলাদার জানান, আবারও শাড়ির কদর ফিরে এসেছে। বিশেষ করে এবার গরম থাকায় সুতির শাড়ির কদর বেশি।

তিনি আরও জানান, এসব শাড়ি বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার থেকে শুরু করে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত।

গৃহসুখন ফ্যাশন হাউজের মালিক সালমা রহমান বলেন, মোমবাটিক, টাইডাই বাটিক, টাঙ্গাইলের নীল কমল, জামদানি, সফুরার সিল্ক, টিস্যু, রাজশাহী সিল্কসহ নকশা করা হাতের কাজের বিভিন্ন শাড়ির প্রতি নারীদের আগ্রহ বেশি।

বড় বাজারের শাড়ি বিক্রেতারা জানান, গরমের কথা মাথায় রেখে এবার শাড়িতে অল্প ডিজাইন ও হালকা রঙের কাজ প্রাধান্য পেয়েছে। তবে হাতের কাজের গর্জিয়াস শাড়িও চলছে প্রচুর।

তারা জানান, টাঙ্গাইলের সুতি শাড়ি ১ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকা, রাজশাহী সিল্ক চার হাজার ৫০০ থেকে ২০ হাজার টাকা এবং ব্লক, বাটিক, হাতের কাজ ও অ্যাপ্লিক করা সুতি শাড়ি ১ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।

এই বিভাগের আরো সংবাদ