সংস্কার প্রস্তাব থাই প্রধানমন্ত্রীর

thailand premierথাইল্যান্ডে চলমান অস্থিশীলতা নিরসনে সাংবিধানিক সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াত্রা। এই উদ্দেশ্যে তিনি স্বাধীন কমিশন গঠনের কথাও উল্লেখ করেন। খবর আল জাজিরার।
দেশটির রাজধানী ব্যাংককে অবস্থানরত আন্দোলনকারিরা আগামী ২রা ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠেয় নির্বাচন প্রত্যাখান করলে সংকট নিরসনের লক্ষ্যে তিনি এই ঘোষণা দেন।
ইংলাক বলেন, এই স্বাধীন কমিশন একটি সাংবিধানিক সংস্কার পরিষদ গঠন করবে। ৪৯৯ সদস্য বিশিষ্ট এই পরিষদ সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তা, ব্যবসায়িক নেতৃবৃন্দ, অর্থনীতিবিদ এবং শিক্ষাবিদদের নিয়ে গঠন করা হবে। পরিষদ সংবিধান সংস্কার, দুর্নীতি দমন, নির্বাচনে টাকার ব্যবহার রোধ এবং নির্বাচন কাঠামো সংস্কারের কাজ করবে।
অন্য এক সূত্রমতে, মিস সিনাওয়াত্রার এই প্রস্তাব প্রত্যাখান করেছে আন্দোলনকারিরা।
তাদের মূখপাত্র আকানাত প্রমপান বলেন, এটা নিশ্চিত যে প্রস্তাবিত কাউন্সিলে তিনি অবশ্যই নাক গলাবেন। প্রমপান আশঙ্কা প্রকাশ করে আরও বলেন, এই প্রস্তাব ইংলাকের ক্ষমতা অক্ষুণ্ন রাখবে যা গ্রহণযোগ্য নয়।
উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে এক সামরিক অভূত্থানে দুর্নীতির অভিযোগে তৎকালিন প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে থাইল্যান্ডে রাজনৈতিক অস্থিশীলতা বিরাজ করছে। রেড শার্ট এবং ইয়েলো শার্টদের পর্যায়ক্রমিক আন্দোলনের মুখে ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে থাকসিনের বোন ইংলাক প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে থাকসিনের প্রচ্ছায়ার অভিযোগ উঠে। চলতি বছরের নভেম্বরে তার পদত্যাগের দাবিতে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় জড়ো হলে রাজনৈতিক সংকট আরও জটিল হয়ে পড়ে।