প্রধানমন্ত্রী না যাওয়ায় ক্ষুদ্ধ চরভদ্রাসনবাসী

foridpur
ফরিদপুর মানচিত্র

ফরিদপুর ম্যাপবৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফরিদপুরের ভাঙ্গা ও সদরপুর উপজেলায় নির্বাচনী জনসভা আসবেন। তিনি ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা-সদরপুর-চরভদ্রাসন) জাতীয় সংসদ আসনের নৌকা প্রতীক প্রার্থী কাজী জাফর উল্লাহর পক্ষে  প্রথম নির্বাচনী সমাবেশ শুরু আসছেন এমন প্রচারনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত ফরিদপুরের জনগনকে হতাশ করেছেন। তিনটি উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনের দুটি আসনে নির্বাচনী জনসভা করলেও অবহেলিত জনপদ চরভদ্রাসন উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর না আসায় এলাকার মানুষেরা ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী আগমন ঘটলে অত্র এলাকায় উন্নয়নের ছোঁয়া লাগত বলে স্থানীয়দের ধারণা। ভোটার সংখ্যা আর আয়তনের ব্যবধানে তিনি অত্র উপজেলা খাটো ভেবে আসেননি বলেও মত প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ।

জানা যায়, ভাঙ্গা-সদরপুর-চরভদ্রাসন উপজেলা মিলে ফরিদপুর-৪ আসন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় ভাঙ্গা ও দুপুর ১২ টায় সদরপুর উপজেলায় আ’লীগ প্রার্থী কাজী জাফর উল্ল্যাহর পক্ষে নির্বাচনী সমাবেশ করার কথা রয়েছে। কিন্ত ৩টি উপজেলার মধ্যে চরভদ্রাসনকে উপেক্ষা করে তিনি অন্য দু’টি উপজেলায় সমাবেশ করতে যাচ্ছেন। এতে পদ্মার ভাঁঙন কবলিত অবহেলিত জনগোষ্ঠীকে আরেকবার উন্নয়ন বঞ্চিত হলো বলে ক্ষুদ্ধ সাধারণরা।

বুধবার চরভদ্রাসন বাজারের মুদি ব্যবসায়ী ফারুক হোসেন (৩৫) জানান, “ভাঙ্গা উপজেলায় ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৭০ হাজার, সদরপুরে ১ লাখ ৫ হাজার আর চরভদ্রাসন উপজেরায় ভোটার সংখ্যা মাত্র ৪৫ হাজার ৪৭৫ জন। তাই ভোটার সংখ্যা আর আয়তনের দিক বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী আমাদের এলাকা খাটো করে দেখেছেন”।

একই বাজারের আরেক ফল ব্যবসায়ী শাহজাহান ঝন্টু (৪৫) বলেন, প্রধানমন্ত্রী হয়ত সিডিউলে সময় করে ওঠতে পারেননি বলে আমাদের এলকায় আসেনি কিন্ত এলে হয়তবা উন্নয়ন বঞ্চিত চরভদ্রাসন আলোর মুখ দেখত”।

উপজেলা বাজারের এক ভ্যান চালক আ. ছালাম খালাসী (৫২) জানায়, “আমাদের রাস্তা ঘাট, ব্রীজ কালভার্ট সহ এলাকার কোনো উন্নয়ন হয় নাই, প্রধানমন্ত্রী চরভদ্রাসন আসলে উন্নয়নগুলো হতো। তিনি আরও জানান, আমাদের কপাল মন্দ তাই দুই উপজেলায় প্রধানমন্ত্রী আসল কিন্ত আমাদের এলাকায় আসল না”।

সাকি/