লজ্জায় তাদের মন্ত্রী-এমপিরা নিজ এলাকায় যেতে পারছেন না: বি.চৌধুরী

B-Chawdhuryবিকল্প ধারার সভাপতি অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা বলেন, এ সরকারের মতো এত বড় চুরির ঘটনা বাংলাদেশের ইতিহাসে আর ঘটেনি। তাই লজ্জায় তাদের মন্ত্রী-এমপিরা নিজ এলাকায় যাচ্ছে না।

মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের  ১৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী  উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেন, সরকারের মন্ত্রী-এমপিদের দুর্নীতির খসড়া প্রকাশের পর আমরা লজ্জিত অথচ ওইসব মন্ত্রী-এমপিদের লজ্জা হয় না। এতে বুঝা যায় তারা লজ্জার ভাষা বুঝে না।

বদরোদ্দুজা চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশে কী হতে যাচ্ছে আর কী হবে তা নিয়ে শুধু বাংলাদেশ নয় গোটা বিশ্ব আজ শঙ্কায় রয়েছে। তাই এ মুহূর্তে গোটা দেশের শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, চিকিৎসক থেকে শুরু করে সাধারণ কৃষক-শ্রমিকেরাও দেশের ভবিষ্যত নিয়ে উদ্বিগ্ন।

সরকার জনগণের ঘৃণার ভাষা, রাজনীতির ভাষা এমনকি সাংবাদিকদের কলমের ভাষাও বুঝে না উল্লেখ করে তনি বলেন, সকল স্তরের জনগণ সরকাকে যে পরিহার করতে চলছে এটা সরকারের এখনও বোধগম্য হয়নি। তবুও তারা ১৫৭ জনকে বিনা ভোটে জয়ী করে গর্ববোধ করছে। এটা এত বড় হাস্যকর ঘটনা যে এটি দেখে পাগলেও হাসে।

‘নির্বাচনে কে আসল আর কে আসল না এ নিয়ে আমাদের মাথা ব্যথা নাই‌’ নির্বাচন কমিশনারের এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন,  রকিবউদ্দিন হলেন আরেকটা বেহায়া নির্লজ্জ লোক। সে সরকারের আজ্ঞাবহ। নির্বোধ কাণ্ডজ্ঞানহীনের মতো কথা বলছেন। দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্যই তিনি এমন অনৈতিক বক্তব্য বলছেন।

খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে বলেন, এতগুলো মানুষ মারা যাচ্ছে আপনার কী ভাবনা হয় না। আপনি এখনি এমন এক কর্মসূচি ঘোষণা করেন যে কর্মসূচিতে কোনো মানুষ মরবে না। কিন্তু  আন্দোলনে সরকার ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হবে। আর গণতন্ত্র রক্ষায় সবাই সোচ্চার হবে।

পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে এতে আরও বক্তব্য রাখেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে.(অব:) মাহবুবুর রহমান, জাতীয় পার্টির স্বঘোষিত চেয়ারম্যান কাজী জাফর, জাতীয় সমাজ তান্ত্রিক দলের সভাপতি আ.স.ম.আব্দুর রব প্রমুখ।

জেইউ/ এআর