ক্রেতা বেড়েছে রূপগঞ্জের গাউসিয়ায়
শনিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » ঈদ ফ্যাশান

ক্রেতা বেড়েছে রূপগঞ্জের গাউসিয়ায়

জমে উঠেছে ঈদ বাজার। নারায়ণগঞ্জের নিম্নবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্যরা ঈদের কেনাকাটার জন্য ভিড় করছেন রূপগঞ্জের গাউসিয়া মার্কেটে।সোমবার গাউসিয়া মার্কেটে ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। রোজার প্রথমদিকে বিক্রি না হলেও এখন তা বাড়তে শুরু করেছে বলে জানান বিক্রেতারা।

Gaosia market

রূপগঞ্জের গাউসিয়া মার্কেটে ক্রেতার ভিড়। ছবি: খালেদুল কবির নয়ন

বিক্রেতারা জানান, রোজার প্রথম দিকে পাইকারি ও খুচরা বিক্রি কম থাকলেও তৃতীয় সপ্তাহে তা বেড়েছে। ক্রেতার উপস্থিতিও অনেক বেশি।

রাকিব বস্ত্রবিতানের স্বত্ত্বাধিকারী দুলাল মোল্লা জানান, পাইকারি ও খুচরা বিক্রি বেড়েছে। খুচরা ক্রেতারা এখন মার্কেটে আসছেন। পাকিস্তানি ও দেশি থ্রি-পিস বেশি বিক্রি হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, মেয়েদের পছন্দের তালিকায় আছে পাখি থ্রি-পিস। পাকিস্তানি পাখির দাম ৩,২০০-৪,০০০ টাকা। যারা পাকিস্তানি পাখি কিনতে পারছেন না তারা ১,০০০-২,০০০ টাকার মধ্যে দেশি পাখি কিনছেন।

নারায়ণগঞ্জের মদনপুর থেকে কেনাকাটা করতে এসেছিলেন গৃহবধূ শামসুন্নাহার। তিনি জানান, বহুদিনের সঞ্চিত অর্থে পরিবারের সদস্যদের জন্য কেনাকাটা করছি। এই মার্কেটে পোশাকের দাম কিছুটা কম। এখন কেনাকাটা প্রায় শেষের দিকে।

Gaosia market1

রূপগঞ্জের গাউসিয়া মার্কেটে ক্রেতার ভিড়। ছবি: খালেদুল কবির নয়ন

কোয়ালিটি ফ্যাশনের বিক্রেতা মোহাম্মদ রানা জানান, ক্রেতার আগমন বেড়েছে। ব্যবসা গতিশীল হয়েছে। তার দোকানে মিরা, জিসা, পাখি, রাজ কুমার, মৌসুমী, কারিশমা, সানকুর্তি, জারা, ফ্যান্সি কটন, পানকৌঁড়ি, শ্রেয়া, গোল কামিজ, কোটারি কটন, আররাজসহ বিভিন্ন ধরনের দেশি ও বিদেশি থ্রি-পিস পাওয়া যাচ্ছে। দাম ১,২০০-৫,০০০ টাকার মধ্যে।

মাহের ফ্যাশনের বিক্রেতা নাদিম মাহমুদ জানান, গুলফা, পাখি, লুঙ্গিড্যান্স, জি বাংলা, সুসমিতা, উর্মিলা, কারিনা, ক্যাটরিনা থ্রি-পিস বেশি বিক্রি হচ্ছে।

আবির বস্ত্র বিতানের বিক্রেতা খোকন জানান, গত বছরের তুলনায় পাইকারিতে বিক্রি অনেক কম। তবে গত কয়েকদিনের তুলনায় বিক্রি এখন কিছুটা বেড়েছে। আগামিতে ভালো বিক্রি হবে বলে আশা করছেন তিনি।

Gaosia market2

রূপগঞ্জের গাউসিয়া মার্কেটে ক্রেতার ভিড়। ছবি: খালেদুল কবির নয়ন

৬০০-২,৫০০ টাকায় রাজশাহী সিল্ক, ৫০০-৯০০ টাকায় টাঙ্গাইলের তাঁত, ৩৫০-২,৮০০ টাকায় সুতি শাড়ি, ৭০০-৪,০০০টাকায় জামদানি এবং ২৪০-১,১০০ টাকায় যাকাতের শাড়ি পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

জাকির লুঙ্গি বিতানের মালিক ওবায়দুল হক জানান, বুখারি, সম্রাট, আমানত শাহ, জয়পাড়া, পাবনা ও সিরাজগঞ্জের লুঙ্গি রয়েছে। তবে বিক্রি আশানুরূপ হচ্ছে না। যাকাতের লুঙ্গির বিক্রি এখনও শুরু হয়নি।

গাউসিয়া মার্কেটের বিক্রিতারা জানান, পাইকারিতে বিক্রি যাই হোক। ১৫ রোজার পর থেকে খুচরা বিক্রি জমে উঠবে। যা চাঁদ রাত পর্যন্ত চলবে।

এই বিভাগের আরো সংবাদ