আবারও প্রমাণিত পাকিস্তান একটি বর্বর জাতি-কামরুল

kamrul islam
খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম। ফাইল ছবি।

kamrul-islamপাকিস্তানের পার্লামেন্টে যুদ্ধাপরাধী কাদের মোল্লার  ফাঁসির রায় কার্যপকরের নিন্দা জানিয়ে আবারও প্রকাশ করল যে তারা একটি বর্বর জাতি বলে জানালেন নির্বাচনকালীন সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অ্যাড. কামরুল ইসলাম।

শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদ ‘কাদের মোল্লার ফাঁসির বিরুদ্ধে পাকিস্তান সরকারের ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের প্রতিবাদে’ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

কামরুল ইসলাম বলেন, পাকিস্তানের এই ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের বিরুদ্ধে যখন সারা দেশ প্রতিবাদ জানাচ্ছে তখন খালেদা জিয়াসহ নামমাত্র বুদ্ধিজীবী, ড. মো: ইউনুস, আসিফ নজরুল সবাই চুপ করে বসে আছেন।

তিনি বলেন, পাকিস্তানের এ নিন্দা প্রস্তাবের প্রতিবাদে দেশব্যপী ক্ষোভের উত্তাল ঢেউ ছড়িয়ে পড়লেও বিএনপি এর কোন প্রতিবাদ জানায়নি। এতে প্রমাণিত হল তারা যুদ্ধাপরীদের বিচার চায় না।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার নয় বিএনপির আন্দোলনের প্রধান বিষয় হল দেশকে পাকিস্তানের মত অকার্যকর রাষ্ট্র বানানো এমন অভিযোগ করে তিনি বলেন, আমরা যেমন মুক্তিযুদ্ধে ব্রিজ ভেঙ্গেছি পাক বাহিনীর চলাচলের বাধা দেওয়ার জন্য, আজ বিএনপি-জামায়াত রেলের স্লিপ ভাঙ্গছে সাধরণ মানুষকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে।

পাকিস্তানের আইএসআই এর টাকায় বিএনপির জন্ম হয়েছে উল্লেখ করে কামরুল বলেন, তাদের পূর্বসুরী জিয়াউর রহমানও একই কাজ করেছিল। বঙ্গবন্ধু, বুদ্ধিজীবী, চার নেতাদের হত্যাকারীদের ও রাজাকারদের দেশে এনে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়ে দেশকে ধ্বংস করেছে।

তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, পাকিস্তান বাংলাদেশকে অকার্যকর করতে চায়। এদেশের তালেবানদের পক্ষ হয়ে পাকিস্তানের তালেবানরা আমাদের হাই কমিশনকে উড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পণা করেছে।তাই এখনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এ সময় দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পাকিস্তানের এজেন্ট বিএনপি জামায়াতকে রুখতে হলে আপনাদের একাত্তরের মত আবার তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামতে হবে। অন্যথায় দেশ বাচানো যাবেনা।

সংগঠনের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য ড. শা. ই. ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সুপ্রীম কোর্ট বার এসোসিয়েশনের সাবেক সম্পাদক অ্যাড. শ. ম. রেজাউল করিম, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক  সিরাজুল হক আলম প্রমুখ।

জেইউ/