সাবমেরিন কিনবে বাংলাদেশ,উদ্বেগে ভারত

Submarineবাংলাদেশ চীন থেকে দু’টি সাবমেরিন কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।এতে রাজ্যের দুঃচিন্তা এসে ভর করেছে ভারতের ঘাড়ে। ভারতের নৌবাহিনীর একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা গতকাল বলেন,সাবমেরিন বাংলাদেশের কেন দরকার ?বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক সহিংসতায় সাবমেরিন কেনার সিদ্ধান্ত আমাদের জন্য উদ্বেগের ব্যাপার। খবর জি নিউজ ও টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

গত সপ্তাহে সরকার চীনের কাছ থেকে দুটি মিং-ক্লাস সাবমেরিন কেনার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করে।এর জন্য দেশটিকে ব্যয় করতে হচ্ছে ২০ কোটি ডলার,স্থানীয় মুদ্রায় প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা।আগামি ২০১৯ সালে ০৩৫জি টাইপের ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিন বাংলাদেশের নৌবহরে যুক্ত হবে।এতে নিজস্ব জলসীমা ও সমুদ্রসম্পদ পাহারা দেওয়ার সক্ষমতা বাড়বে এ বাহিনীর।

কিন্তু বিষয়টিকে সহজভাবে দেখছে না বিশ্বের অন্যতম বড় সামরিক শক্তি ভারত। প্রতিবেশী দেশটির এক ডজনের বেশি সাবমেরিন রয়েছে। প্রতি বছরই নৌ শক্তি বাড়াচ্ছে দেশটি। তবুও ছোট্ট প্রতিবেশির নৌশক্তি বাড়ানোর সামান্য চেষ্টায় তারা উদ্বিগ্ন। টাইমস অব ইন্ডিায়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি বঙ্গোপসাগরে ভারতের আঞ্চলিক জলসীমায় চীনা সাবমেরিন দেখা গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করে ভারতীয় নৌবাহিনী বঙ্গোপসাগরে ইস্টার্ন নেভাল কমান্ডের উপস্থিতি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে।

প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে,ভারতীয় নৌবাহিনী পশ্চিমবঙ্গে নেভাল কমান্ডের তৎপরতা বৃদ্ধির জন্য বেশ কিছু প্রস্তাব করেছে। ক্ষেপণাস্ত্র ব্যাটারি স্থাপনের জন্য সাগর দ্বীপে ভূমি অধিগ্রহণ চূড়ান্ত করার কথা বলা হয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে সেখানকার একটি গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ ব্যয়ের কিছু অংশ বহন করার দাবি জানানো হয়েছে। এই বন্দর নির্মিত হলে নৌবাহিনীর জাহাজগুলো সেখানে ভিড়তে পারবে এবং সেখান থেকে বঙ্গোপসাগরে টহল দিতে প্রয়োজনীয় সরবরাহ সংগ্রহ করতে পারবে। এছাড়া ভারতীয় নৌবাহিনী বেহালা বিমানক্ষেত্রে একটি মনুষ্যবিহীন আকাশযান (ইউএভি) তথা ড্রোন মোতায়েনের পরিকল্পনার কথাও বলা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়,ভারতীয় নৌবাহিনী মনে করছে,সুন্দরবনে অবস্থিত ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের চৌকিগুলো সমুদ্রপথের সম্ভাব্য সকল হুমকি মোকাবেলা করার জন্য যথেষ্ট নয়।