দুষ্কৃতিকারীদের সামাজিকভাবে বয়কটের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

ফাইল ছবি

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, নারী নির্যাতন, গণধর্ষণ নিয়ে একটি রাজনৈতিক দল রাজনীতি করছে। মনে রাখতে হবে দুষ্কৃতিকারী যেই হোক তার দল নেই।

তিনি বলেন, সে অপরাধী, তার অপরাধের শাস্তি পেতেই হবে। আমাদের উচিত দুষ্কৃতিকারীদের সামাজিকভাবে বয়কট করা, এতে অপরাধ কমে আসবে।

আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে মিডিয়া ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড পিস-এমডিপি আয়োজিত ‘নারী ক্ষমতায়নে শেখ হাসিনা: বিশ্ব নেতৃত্বে বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি একথা বলেন।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সম্প্রতি ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা কেন্দ্র করে এক শ্রেণির রাজনৈতিক নেতারা রাজনীতি করতে চাচ্ছেন। এমসি কলেজের ঘটনা মির্জা ফখরুল ভিন্নখাতে নিয়ে রাজনীতি করছেন। আমরা বলতে চাই, নারী নির্যাতনকারী, দুষ্কৃতিকারীর কোনো দল নেই, এদের সামাজিকভাবে বয়কট করা উচিত।

তিনি বলেন, ২০০১ সালে আওয়ামী লীগকে ভোট দেওয়ার অপরাধে প্রতিবন্ধী নারীকেও গণধর্ষণের শিকার হতে হয়েছিল। শত শত নারী নির্যাতন, ধর্ষণের ঘটনা ঘটানো হয়েছিল। বিএনপি কোনো বিচার করেনি। এর পরিবর্তে তারা দলের হয়ে বাহবা দিয়েছিল। আমরা প্রতিটি ঘটনায় আগে দল থেকে বহিষ্কার করেছি, পরে তার উপযুক্ত শাস্তি হয়েছে। এমসি কলেজের ঘটনাতেও অপরাধী যেই হোক তাদের শাস্তি পেতে হবে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাদুকরী নেতৃত্বের কারণে দেশ আজ উন্নত হয়েছে। দেশে শিকলবন্দি গণতন্ত্র থেকে মুক্ত হয়ে সত্যিকারের গণতন্ত্র ফিরে এসেছে। শেখ হাসিনা জীবিত আছেন বলেই আজ দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হয়েছে, নারীর ক্ষমতায়ন হয়েছে। প্রতিটি সেক্টর নারীরা অলংকৃত করেছেন, সম্মানের সঙ্গে কাজ করছেন।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, শূন্য থেকে পথচলা শুরু করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ শুধু দেশের একজন নেতা না, বিশ্ব নেতায় পরিণত হয়েছেন। তার সাহসিকতা দেখে নারীরা পথচলার প্রেরণা পায়, বুকে সাহস বাঁধে। শেখ হাসিনার অদম্য ইচ্ছায় অনুপ্রাণিত হয়ে আজ লাখ লাখ নারী পথ চলছেন। নারী-পুরুষ মিলেই সমাজকে এগিয়ে নিচ্ছেন।

অর্থসূচক/কেএসআর