পেঁয়াজ আমদানিতে ৫ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার

বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় পেঁয়াজ আমদানির উপর আরোপিত ৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক প্রত্যাহারের করা হয়েছে। পেঁয়াজ অনুৎপাদনকালীন সময় হিসেবে পরিচিত আগামী মার্চ পর্যন্ত সময়ে পেঁয়াজের উপর আরোপিত ৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক প্রত্যাহারের করা হয়েছে।

আজ রোববার (২০সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

তবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাস্টমস নীতির সদস্য গোলাম কিবরিয়া গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন আগামীকাল সার্কুলার জারি করা হবে।

এতে বলা হয়, পেঁয়াজ আংশিক আমদানি নির্ভর একটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য। নিকট অতীতে পেঁয়াজের বাজার অস্থিতিশীল হয়েছে এবং ২০১৯-২০ অর্থবছরে এই সংকটটি কঠিন আকার ধারণ করে। পেঁয়াজের মূল্য সাম্প্রতিক সময়ে অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া, সম্প্রতি ভারত থেকে পেঁয়াজ রফতানি নিষিদ্ধের কারণে বাজারে পেঁয়াজের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী।

পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, দেশীয় পেঁয়াজ চাষিদের ন্যায্য মূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণ, পেঁয়াজ চাষে উৎসাহ প্রদান এবং আমদানির উপর নির্ভরশীলতা হ্রাসের লক্ষ্যে পেঁয়াজ আমদানিতে চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরে পেঁয়াজ আমদানিতে ৫শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপ করা হয়।

বর্তমানে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় পেঁয়াজের অনুৎপাদনকালীন সময় হিসেবে পরিচিত মার্চ, ২০২১ পর্যন্ত সময়ে পেঁয়াজের উপর আরোপিত ৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক প্রত্যাহারের করা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, গত বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) পেঁয়াজ আমদানির ওপর বিদ্যমান ৫ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহারের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

অর্থসূচক/এমআই/কেএসআর