সদরঘাট থেকে শুরু হয়ে শেরপুরে শেষ হলো ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’

লগডাউনের পর টানা শুটিং করে ক্লোজ হলো ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’র  ক্যামেরা। গত মার্চে সদরঘাট থেকে শুরু হয় সরকারি অনুদান পাওয়া শিশুতোষ ছবিটির শুটিং। এরপর লগডাউনের জন্য শুটিং বন্ধ থাকলেও সম্প্রতি খুলনা, সুন্দরবন, পানামসিটি ঘুরে শেরপুরের নালিতাবাড়ী ইকো পার্ক গিয়ে শেষ হল ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’র জার্নি।

গতকাল (১৫ সেপ্টেম্বর) শেরপুরের নালিতাবাড়ী ইকো পার্কে একটি গানের দৃশ্যধারণের মাধ্যমে এর পরিচালক আবু রায়হান জুয়েল চূড়ান্ত প্যাকআপ ঘোষণা করেন।

নির্মাতা সূত্রে জানা গেছে, গতকাল ‘তুই কি আমায় ভালোবাসিস’ গান দিয়ে ছবির কাজ শেষ করেছেন তারা।

ছবিটি নিয়ে নির্মাতা বলেন, অবশেষে ছবির কাজ শেষ হলো। ফাইনালি ভালো কিছু হোক- এটাই আমার চাওয়া। তবে মজার বিষয় হলো পুরো ছবিতে বলা যায় মেকআপবিহীন পরীকে দেখতে পারবেন দর্শকরা।

প্রসঙ্গত, গত ১৪ মার্চ এই সিনেমার শুটিং শুরু হয়। লঞ্চে একটানা ২৫ দিন শুটিং করার কথা ছিল। কিন্তু করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে ৮ দিনের শুটিং বাকি রেখেই ঢাকায় ফিরতে হয় তাদের।

‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’ সিনেমায় জুটি বেঁধে অভিনয় করছেন সিয়াম-পরীমনি। এছাড়াও অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করছেন- শহীদুল আলম সাচ্চু, আজাদ আবুল কালাম, মুনিরা মিঠু, কচি খন্দকার, আশিষ খন্দকারসহ ১৮ জন শিশুশিল্পী। ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের সরকারি অনুদানে নির্মিত হচ্ছে সিনেমাটি।

প্রখ্যাত লেখক মুহাম্মদ জাফর ইকবালের ‘রাতুলের রাত রাতুলের দিন’ অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে এটি। প্রথমে চলচ্চিত্রটির নাম ছিল ‘নসু ডাকাত কুপোকাত’। পরবর্তীতে নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’। এর চিত্রনাট্য রচনা করেছেন জাকারিয়া সৌখিন ।

অর্থসূচক/এমএস