অস্থির পেঁয়াজের বাজার, রাতারাতি শতক হাঁকালো

ভারতের রফতানি বন্ধ করার সংবাদে অস্থির হয়ে উঠেছে পেঁয়াজের বাজার। একদিনের ব্যবধানে প্রায় দ্বিগুণ দাম বেড়ে পেঁয়াজের কেজি ১০০ টাকা হয়ে গেছে।

এদিকে পেঁয়াজের বাড়তি দামে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্রেতা ও বিক্রেতারা। ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারে পেঁয়াজের সংকট না থাকলেও ইচ্ছে করেই দাম বাড়ানো হয়েছে। তবে বিক্রেতাদের দাবি, বাজারে পেঁয়াজের সংকটে দাম বেড়েছে।

আজ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘিরে এসব চিত্র উঠে এসেছে।

এদিন রাজধানীর রামপুরা, মালিবাগ, মালিবাগ রেলগেট বাজার, শান্তিনগর, সেগুনবাগিচা, ফকিরাপুল, মতিঝিল টিঅ্যান্ডটি কলোনি বাজার ও খিলগাঁও কাঁচা বাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯৮ থেকে ১০০ টাকা প্রতি কেজি, আর ছোট আকৃতির দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকা প্রতি কেজি। অথচ দু’দিন আগে এসব পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল প্রতি কেজি ৭০ টাকায় আর ছোট পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়।

অন্যদিকে, মাত্র একদিনের ব্যবধানে আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজিতে ৩০ টাকা পর্যন্ত। বর্তমানে আমদানি করা পেঁয়াজ এসব বাজারে বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৮০ টাকায়।

এদিকে মসলাজাতীয় পণ্য আদায় কেজিতে ১০ টাকা বাড়লেও, রসুন ও কাঁচা মরিচের দাম অপরিবর্তিত আছে। বর্তমানে আদা বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২৪০ থেকে ২৫০ টাকা, রসুন ৯০ থেকে ১০০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১৬০ থেকে ১৮০ টাকার মধ্যে।

পেঁয়াজের দামের বিষয়ে মালিবাগ হাজীপাড়া বৌ-বাজারের ব্যবসায়ী মো. জাহাঙ্গীর বলেন, গতকাল দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি করেছি ৬০ টাকা। আজ পাইকারিতে দাম ৮০ টাকা। যে কারণে ৯০ টাকা কেজি পেঁয়াজ বিক্রি করছি।

তিনি বলেন, পরিস্থিতি যা তাতে মনে হচ্ছে পেঁয়াজের দাম আরও বাড়তে পারে। কারণ গতকাল ভারত রফতানি বন্ধ করার পর আজ পেঁয়াজ কেনার পরিমাণ বেড়ে গেছে। এ অবস্থা চললে বাজারে পেঁয়াজের এক ধরনের কৃত্রিম সংকট দেখা দিতে পারে। এতে আবারও গত বছরের মতো অবস্থা হবে কিনা বলা মুশকিল।

একই বাজারে ১০০ টাকা কেজি পেঁয়াজ বিক্রি করা মো. সোহেল বলেন, আজ ১০০ টাকা কেজি কিনতে পারছেন। আগামীকাল দেখবেন ১৫০ টাকা কেজি কিনে খেতে হবে। আজ বিকেলেই দাম আরও বেড়ে যায় কিনা দেখেন। ইতোমধ্যে পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের ক্রেতা বেড়ে গেছে।

অর্থসূচক/কেএসআর