১৩৯ দিন পর শারীরিক উপস্থিতিতে হাইকোর্টে বিচার কাজ শুরু

বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক উপস্থিতিতে হাইকোর্টে বিচার কার্যক্রম বন্ধ ছিল। তবে আইনজীবীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ১৩৯ দিন পর শারীরিক উপস্থিতিতে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

আজ বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে হাইকোর্টের ১৮টি বেঞ্চে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের আগে জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুসারে হাইকোর্টের ১৮টি বেঞ্চ শারীরিক উপস্থিতির মাধ্যমে বিচার কার্য পরিচালনা করছেন।

ওই ১৮টি বেঞ্চের বিচারকরা হলেন- বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান এবং বিচারপতি কাজী ইজারুল হক আকন্দ, বিচারপতি আতাউর রহমান খান, বিচারপতি শেখ আবদুল আউয়াল, বিচারপতি এসএম এমদাদুল হক ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী, বিচারপতি একেএম আবদুল হাকিম ও বিচারপতি ফাতেমা নজীব, বিচারপতি বোরহান উদ্দীন ও বিচারপতি সরদার রাশেদ জাহাঙ্গীর, বিচারপতি ওবায়দুল হাসান এবং বিচারপতি একেএম জহিরুল হক, বিচারপতি এম, ইনায়েতুর রহিম এবং বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমান, বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ এবং বিচারপতি এএসএম আব্দুল মোবিন, বিচারপতি শেখ জাকির হোসেন ও বিচারপতি কেএম জাহিদ সারওয়ার, বিচারপতি হাবিবুল গনি ও বিচারপতি রিয়াজ উদ্দিন খান, বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামান, বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি খায়রুল আলম, বিচারপতি রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি কাজী ইবাদত হোসেন, বিচারপতি খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মাহমুদ হাসান তালুকদার, বিচারপতি খুরশীদ আলম সরকার, বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী।

করোনা পরিস্থিতির জন্য ২৬ মার্চ থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ছুটিসহ বিভিন্ন ছুটিতে আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ শারীরিক উপস্থিতিতে বিচার কার্যক্রম থেমে যায়। এরপর ৯ মে আদালতে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ, ২০২০ এর গেজেট প্রকাশ করে সরকার। পরে এটিকে আইনে রূপান্তর করা হয়। পরে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে সুপ্রিম কোর্টের বিচার কার্য পরিচালনার প্রয়োজন অনুসারে বেঞ্চ গঠন করে দেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

তবে আইনজীবীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ভার্চুয়াল ৩৫ বেঞ্চের পাশাপাশি শারীরিক উপস্থিতিতে হাইকোর্টের ১৮টি বেঞ্চে বিচার কাজ পরিচালনায় নতুন করে উদ্যোগী হয়ে ওঠে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

অর্থসূচক/কেএসআর