সিফাতের মুক্তি দাবিতে ডাকা মানববন্ধনে পুলিশের লাঠিচার্জ

পুলিশের গুলিতে নিহত মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খানের সঙ্গে থেকে গ্রেপ্তার স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির দুই শিক্ষার্থী ও চলচ্চিত্রকর্মী সাহেদুল ইসলাম সিফাত এবং শিপ্রা দেবনাথের মুক্তি দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও বরগুনার বামনা উপজেলার শিক্ষার্থীরা।

আজ শনিবার (০৮ জুলাই) দুপুরে বরগুনার বামনা উপজেলার কলেজ রোড এলাকায় সিফাতের সহপাঠী ও একই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এ মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে। এছাড়াও রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী ক্যাম্পাসের সামনে মানববন্ধন ও মিছিল করেছেন স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির একদল শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়টির ফিল্ম ও মিডিয়া স্টাডিজ এবং স্ট্যামফোর্ড ফিল্ম স্টুডেন্ট সিনে ফোরামের উদ্যাগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

দুপুরে বরগুনায় মানববন্ধন শুরু করলে পুলিশ বাধা দেয় এবং ব্যানার ও মাইক ছিনিয়ে নেয়। এরপরও মানববন্ধন চালিয়ে গেলে বামনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইলিয়াস আলী তালুকদার এসে মানববন্ধনরত শিক্ষার্থীদের অতর্কিতে লাঠিপেটা করে ছত্রভঙ্গ করে দেন। এতে অন্তত ১০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

এদিকে মানববন্ধন থেকে চার দফা দাবি তুলে ধরেন স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির ছাত্র সানাউল কবীর সিদ্দিকী। ওই দুই শিক্ষার্থীর মুক্তি ছাড়াও অন্য দাবির মধ্যে রয়েছে মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খানের হত্যার ঘটনার সুষ্ঠু বিচার, ওই দুই শিক্ষার্থীকে মামলার অভিযোগ থেকে অব্যাহতি, দুই শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারকে সামাজিকভাবে নিরাপত্তা প্রদান। ওই দুই শিক্ষার্থী মুক্তি পেয়ে বাসায় না ফেরা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণাও দেওয়া হয়।

গত ৩১ জুলাই রাতে মেজর (অব.) সিনহা ও সাহেদুল টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ সড়ক ধরে যাচ্ছিলেন। বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর তল্লাশিচৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সিনহা মো. রাশেদ খান। ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সাহেদুলকে। তিনি ও শিপ্রা দেবনাথ দুটি আলাদা মামলায় এখন কারাগারে রয়েছেন।

অর্থসূচক/কেএসআর