আকবরদের নামে বড় অঙ্কের এফডিআর করছে বিসিবি

চলতি বছরের শুরুতে আকবর আলীর দল অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়ের পর তাদের জন্য বড় পরিসরে অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। যদিও করোনার প্রকোপের কারণে তা আর হয়নি।

গত চার মাসের বেশি সময় ধরে জাতীয় দলের কোনও কার্যক্রম নেই, নেই অনূর্ধ্ব-১৯ দলের কার্যক্রমও। অথচ এই সময়টায় বিদেশি কোচের মাধ্যমে অনুশীলন চালু রাখার কথা ছিল আকবরদের।

বিশ্বকাপজয়ী দলটিকে বিদেশি কোচের মাধ্যমে অন্তত দুই বছর অনুশীলন করানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিসিবি। সেই স্কোয়াডের সবাইকে প্রতি মাসে এক লক্ষ্য টাকা দেয়ার ব্যাপারেও জানিয়েছিল তারা। যদিও করোনার এমন সময়ে শুধুমাত্র প্রতি মাসের টাকাই দিতে পারছে বিসিবি। অনুশীলনের ব্যবস্থা জাতীয় দলের ক্ষেত্রে আস্তে আস্তে চালু হলেও যুবাদের ক্ষেত্রে সেটা একদমই হয়নি। এ নিয়ে আফসোস বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের।

এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘ওদের সঙ্গে আমাদের দুটি ব্যাপার ছিল। তিনটি প্রোগ্রাম ছিল, প্রথম যেটা ছিল সেটা আমরা করে দিয়েছি এরই মধ্যে। এটা নিয়ে আমরা মাথা ঘামাই না। প্রত্যেকে মাসে এক লক্ষ টাকা করে পাচ্ছে। তাই এদিক থেকে তাদের মন খারাপ করার কোনো কারণ নেই। দ্বিতীয় আরেকটা ছিল যে ওদের জন্য আমরা একজন কোচের অধীনে স্পেশাল ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করবো। সেটাতেও আমরা এক পায়ে খাড়া। মানে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। কোচদের সঙ্গে আমরা কথা বলছি। ওরা এই কোচকে নিয়েই আসলে করতে চাচ্ছে। শুধু তাই নয়, ওদেরকে অন্য একটি দেশে নিয়ে গিয়ে সেখানেই ট্রেনিং করার সবকিছু চূড়ান্ত করেছি। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে করোনার কারণে তো সবকিছু বন্ধ। কোথায় অনুশীলন করাবো আর কোথায় সুযোগ দিব?’

পাপন আরও বলেন, ‘ওদেরকে আরেকটি জিনিস দেয়া হবে। আমরা বসে আছি কারণ সেটা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাত দিয়ে দেয়া হবে জিনিসটা। সেগুলো সব তৈরি করা আছে। যেদিন আমরা পারবো মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সামনে ওদেরকে নিয়ে যেতে, ট্রফিটাও প্রধানমন্ত্রীকে দেবে, সেদিনই আমরা চেকগুলো দিয়ে দিতে পারব। ওদের সবার নামে একটা এফডিআর করবো, একটা বড় অঙ্কের এফডিআর করে দেয়া হবে প্রত্যেকের নামে। এটার জন্য বসে আছি। এগুলোর সবই করোনার জন্য আটকে গেছে। তবে সবই হবে, কোনও কিছু বাতিল হয়নি।’

অর্থসূচক/এএইচআর