এবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের জুরি বোর্ডে যারা

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার’। চলচ্চিত্র শিল্পের বিকাশ ও উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য ব্যক্তি বিশেষ, শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্রকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করে থাকে।

এবারের আসরের জন্য তথ্যমন্ত্রণালয় সম্প্রতি জুরি বোর্ড গঠন করেছে। ২০১৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাগুলোর মধ্য থেকে পুরস্কার প্রদানের জন্য ১৩ সদস্য বিশিষ্ট এই জুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এতে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) জাহানারা পারভিন।

এছাড়া অন্য সদস্যরা হলেন- মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম (যুগ্ন সচিব তথ্য মন্ত্রণালয়), নুজাত ইয়াসমিন (ব্যবস্থাপক, এফডিসি), মোহাম্মদ নিজামুল কবির (মহাপরিচালক ফিল্ম আর্কাইভ), হাবিবা রহমান (চেয়ারম্যান, চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়), শাহ আলম কিরন (চলচ্চিত্র পরিচালক), সুচরিতা (অভিনেত্রী), মোহাম্মদ খোরশেদ আলম (সংগীতশিল্পী), ইমদাদুল হক মিলন (কথাসাহিত্যিক), জসিম উদ্দিন (বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান)। তবে তিনজন সদস্য জুরি বোর্ডে থাকতে অপরাগতা প্রকাশ করেন। পরে এই তিনজনের পরিবর্তে নতুন সদস্য নেওয়া হয়েছে। নতুন এ তিন সদস্য হলেন- হাসান মতিউর রহমান (গীতিকার ও সংগীত পরিচালক), জাহাঙ্গীর হোসেন মিন্টু (চিত্রগ্রাহক), রিয়াজ (অভিনেতা)।

১৯৭৫ সাল থেকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করে আসছে বাংলাদেশ সরকার। ১৯৮১ সালে কোনো চলচ্চিত্র না পাওয়ায় ওই বছর পুরস্কার প্রধান করা হয়নি। এছাড়া বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে নিয়মিত এ পুরস্কার প্রদান করে আসছে সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার’। চলচ্চিত্র শিল্পের বিকাশ ও উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য ব্যক্তি বিশেষ, শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্রকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করে থাকে।

এবারের আসরের জন্য তথ্য মন্ত্রণালয় সম্প্রতি জুরি বোর্ড গঠন করেছে। ২০১৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাগুলোর মধ্য থেকে পুরস্কার প্রদানের জন্য ১৩ সদস্য বিশিষ্ট এই জুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এতে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) জাহানারা পারভিন।

অর্থসূচক/এএইচআর