করোনায় বসে না থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়নের আহ্বান

বর্তমানে ৪৯ প্রকল্পে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়ন প্রায় ১১ বিলয়ন ডলার। এডিবি ছয়টি খাতের প্রকল্পে এই অর্থায়ন করেছে। খাতগুলো হলো, জ্বালানি, পরিবহন, পানি ও নগরায়ন, শিক্ষা, কৃষি, প্রাকৃতিক সম্পদ এবং গ্রামীণ অবকাঠামো। করোনার সময় বসে থাকলে চলবে না বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে করোনা মোকাবিলা করে দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়নে একমত বাংলাদেশ সরকার ও এডিবি।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে বাস্তবায়িত প্রকল্পের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নির্ধারিত মেয়াদে প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণ যাতে করে এর সুফল ভোগ করতে পারে এ বিষয়ে একমত হয়েছে বাংলাদেশ ও এডিবি।

আজ বুধবার (১৫ জুলাই) বাংলাদেশ সরকার এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) একটি ত্রিপক্ষীয় পোর্টফোলিও পর্যালোচনা সভা (টিপিআরএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে। এডিবি-সাহায্যপ্রাপ্ত প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন আরও ত্বরান্বিত করার জন্য সুনির্দিষ্ট ও সময়সীমাবদ্ধ পদক্ষেপের বিষয়ে সবাই একমত হয়েছেন।

ভার্চ্যুয়াল টিপিআরএম-এ বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন এবং এডিবির পক্ষে কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ নেতৃত্ব দেন। সভায় প্রায় ২৫০ জন সিনিয়র সরকারী কর্মকর্তা, প্রকল্প পরিচালক এবং এডিবি কর্মীরা প্রথমবারের মতো ভার্চ্যুয়াল পর্যালোচনা সভায় অংশ নেন। সামগ্রিক পোর্টফোলিওসহ প্রকল্পের বর্তমান অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সভায় মনমোহন প্রকাশ বলেছেন, প্রকল্পের বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করে দ্রুত জনগণকে এর সুফল পৌঁছে দিতে আমরা বদ্ধপরিকর। মহামারি-সামাজিক-অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের জন্য সরকারের গৃহীত পরিকল্পনাকে আমরা সমর্থন করছি।

কোভিড-১৯ এর চ্যালেঞ্জ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রকল্প পরিচালকদের মনমোহন প্রকাশ বলেন, কোভিড-১৯ মহামারিতে প্রকল্প বাস্তবায়নে নানা চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এগুলো কাটিয়ে উঠতে হবে এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি বাড়াতে হবে। সমস্যা সমাধানের মনোভাব, সৃজনশীলতা, নতুন প্রতিশ্রুতি এবং নতুন প্রযুক্তি দিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।

‘প্রকল্প বাস্তবায়নে করোনার ঝুঁকি কমাতে স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষা বিশেষভাবে মেনে চলার কথা বলেছেন এডিবি কান্ট্রি ডিরেক্টর।’

প্রকল্পের বাস্তবায়ন বাড়াতে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে বড় চুক্তিগুলোর অনুমোদনের প্রক্রিয়া দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করা। বড় চুক্তিগুলোর বিপরীতে দ্রুত অর্থ ছাড়, স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধিনিষেধ মেনে চলা, প্রকল্পের জনবল এবং সুবিধাভোগীদের ভার্চ্যুয়াল প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।

অর্থসূচক/এমআরএম/এমএস