গ্রেফতারের পর সাহেদকে গণধোলাই দিতে চেয়েছিল এলাকাবাসী
রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

গ্রেফতারের পর সাহেদকে গণধোলাই দিতে চেয়েছিল এলাকাবাসী

বহুল আলোচিত-সমালোচিত রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাহেদকে সাতক্ষীরার দেবহাটা সীমান্ত থেকে আজ বুধবার (১৫ জুলাই) ভোরে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। গ্রেফতারের পর সাহেদকে গণধোলাই দিতে চেয়েছিল এলাকাবাসী। এরকম একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায় এক লোক লাঠি দিয়ে সাহেদকে আঘাত করছে। অপর একজন বলছে, সবাই মিলে একে মারা উচিত।

র‌্যাব জানায়, দালালদের মাধ্যমে সীমান্ত পার হয়ে পালানোর চেষ্টা করছে সাহেদ এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালায় র‌্যাব। সারারাত অভিযান শেষে ভোর ৫টা ১০ মিনিটে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় সাহেদর সাথে ৩ রাউন্ড গুলিসহ অবৈধ পিস্তল পাওয়া যায়।

র‌্যাব আরও জানায়, বোরকা পরে নৌকায় করে পালিয়ে যাচ্ছিল সাহেদ। নৌকায় উঠার আগে নদীর পাড় থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় সাহেদকে পারপার করা নৌকার মাঝি সাঁতরে পালিয়ে যায়। সাহেদ মোটা থাকার কারণে দৌড়ে পালাতে পারেনি বলে জানায় র‌্যাব।

সাতক্ষীরায় সাহেদ ঘন ঘন অবস্থান পরিবর্তন করছিল। যাতে চিনতে না পারা যায় এজন্য চুলের রং সাদা থেকে কালো করে সাহেদ। গোঁফ কেটে ফেলেছিলো। তার পরিকল্পনা ছিলো মাথা ন্যাড়া করে ফেলা।

এদিকে সাহেদের গ্রেফতারের পর দেবহাটা উপজেলার কোমরপুর গ্রামবাসী আনন্দমিছিল করেছে। এসময় এলাকা বাসী স্লোগান দেয়, চোরের দশদিন গৃহস্থের একদিন। গ্রামবাসী সাহেদকে গ্রেফতার করায় র‌্যাবকে ধন্যবাদ জানায়।

চিকিৎসাসেবা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে গত ৬ জুলাই বিকেল থেকে রাত অবধি উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালের মূল কার্যালয়ে প্রথমে অভিযান পরিচালনা করেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেখান থেকে অভিযান শেষে হাসপাতালটির মিরপুর শাখায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় হাসপাতালটির আট কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আটক করা হয়।

এরপর ৭ জুলাই রাজধানীর উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের কোভিড ডেডিকেটেড রিজেন্ট হাসপাতালটি সিলগালা করে দেয় র‌্যাব-১। এ ছাড়া উত্তরার ১৪ নম্বর সেক্টরের রিজেন্ট গ্রুপের মূল কার্যালয়ও সিলগালা করা হয়। ৭ জুলাই রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক সাহেদসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করা হয়।

রিজেন্ট হাসপাতালের বিরুদ্ধে অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানটি প্রায় সাড়ে চার হাজার করোনা টেস্টের ভুয়া রিপোর্ট দিয়েছে। একজন কম্পিউটার অপারেটর বসে বসে সাড়ে চার হাজার রিপোর্ট তৈরি করেছেন। মনগড়া রিপোর্ট পজিটিভ-নেগেটিভ দিয়েছেন।

অর্থসূচক/কেএসআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ