‘বন্দুকযুদ্ধে’ যুবলীগ নেতা হত্যার প্রধান আসামি নিহত

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে যুবলীগ নেতা মোসাদ্দেকুর রহমান হত্যা মামলার প্রধান আসামি সোহেল নিহত হয়েছেন। এসময় সাতকানিয়া থানার ৫ পুলিশ আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন অস্ত্র, ইয়াবাসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে।

আজ শনিবার (২৭ জুন) ভোর রাত ৩টার দিকে উপজেলার রূপকানিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ রূপকানিয়ার গাজীর পাড়া কুতুবুর দীঘির পাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সোহেল সাতকানিয়া সদর ইউনিয়নের বারদোনা আদর্শ পাড়া এলাকার মোহাম্মদ আলীর ছেলে।

সাতকানিয়া থানা সূত্রে জানা যায়, মধ্যরাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাকদ ব্যবসায়ী আবদুল হান্নান ওরফে সোহেলকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর তার স্বীকারোক্তিমতে মোসাদ্দেক হত্যার কাজে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধারে দক্ষিণ রূপকানিয়া গাজীর পাড়া কতোয়াল দিঘির পূর্ব উত্তর পাড়ে যায় পুলিশ। সেখানে পূর্ব থেকে একদল লোক ইয়াবাসেবন এবং তাস খেলতেছিল। তারা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়া শুরু করে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি করে। এসময় আসামি সোহেল দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশের পাল্টা গুলিতে ঘটনাস্থলে নিহত হন। এ সময় উভয়পক্ষের গোলোগুলিতে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন।

সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সফিউল কবীর জানান, গভীর রাতে সাতকানিয়া সদরে দক্ষিণ রূপকানিয়ার গাজীপাড়ার কুতুবুর দীঘির পাড় এলাকায় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। পুলিশের প্রতিরোধের মুখে সোহেলের সঙ্গীরা পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ একজনের লাশ পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করে।

এর আগে গত সোমবার আসরের নামাজের পরে মোসাদ্দেক ও তার ছোট ভাই ফয়সালসহ মাদক নির্মূল কমিটির আরও কয়েকজন মিলে স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী ও ইয়াবা ডন সোহেলের কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করেন। এসময় দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সোহেল অতর্কিতভাবে মোসাদ্দেক ও ফয়সালকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে প্রথমে পটিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখান থেকে দুজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। হাসপাতালে নেয়ার পথে মোসাদ্দেকের মৃত্যু হয়।

অর্থসূচক/কেএসআর