শিশুর মনোসংযোগ ধরে রাখবে যেসব খাবার
বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

শিশুর মনোসংযোগ ধরে রাখবে যেসব খাবার

মহামারি করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে বন্ধ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই অবস্থায় প্রায় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই অনলাইন ক্লাস চলছে।কাজেই ঘরে বসেই করা যাচ্ছে ক্লাস। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে অভিভাবকদের চিন্তা তাদের শিশুসন্তানদের নিয়ে। কেননা এই ঘরবন্দি অবস্থায় শিশুরা অনলাইন ক্লাসে মন দিতে রীতিমত নাজেহাল হচ্ছে।

অনলাইন ক্লাসের মনোসংযোগ ধরে রাখা এবং শরীর-স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য দরকার একটি আদর্শ ডায়েট চার্ট। যেটি অনুসরণে সন্তানের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। আর স্বাস্থ্য ভালো থাকলে পড়াশোনাতেও মন বসবে।

ডায়েটে ফল রাখুন প্রতিদিন: প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ফল রাখা অত্যন্ত জরুরি। এই সময় স্কুল পড়ুয়া শিশুদের প্রতিদিনের ডায়েট চার্টে অবশ্যই ফল রাখুন। আপনার সন্তানকে ব্রেকফাস্টের কিছু পরে একটা করে কলা বা আম অথবা অন্য কোন মৌসুমি ফল খাওয়ান। গোটা ফল খেতে না চাইলে শেক কিংবা জুস বানিয়েও খাওয়াতে পারেন।

সুষম হোক দুপুরের খাবার: শিশুদের দুপুরের খাবার হতে হবে সুষম। দুপুর ১২টা থেকে ১টার মধ্যে খেয়ে নিতে হবে দুপুরের খাবার। এই সময় যেহেতু তারা বাড়িতেই আছে, কাজেই অকারণে সময় নষ্ট করে খেতে দেরি করা ঠিক নয়। দুপুরে ভাত, ডাল, সবজি, মাছ বা মুরগীর মাংস খেতে দিন সন্তানকে। সঙ্গে একটু সালাদ থাকতে পারে।

দই বা দুধ: স্কুল পড়ুয়া শিশুদের প্রতিদিনের ডায়েটে দুধ বা দই অবশ্যই থাকতে হবে। বিকাল তিনটা থেকে সাড়ে তিনটায় এক বাটি টক দই আর কালো কিশমিশ দিতে পারেন আপনার সন্তানকে। এতে থাকে ভিটামিন-বি১২ আর প্রচুর পরিমাণে আয়রন। মনোসংযোগ বাড়াতে ডায়েটে আয়রন থাকা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। শরীরে আয়রন ঘাটতি থাকলে মনোসংযোগের অভাব দেখা দিতে পারে।

রাতে দিন সহজপাচ্য খাবার: রাতের খাওয়া সাতটায় সেরে ফেলতে হবে। রুটি-সবজি, পরোটা, পোলাও বা খিচুড়ি দেয়া যেতে পারে রাতে। রাতে সহজপাচ্য অথচ পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া দরকার। সন্তানের সঙ্গে একই সময়ে খাওয়া সেরে ফেলতে চেষ্টা করুন। একই রুটিনে বাড়ির সবাই অভ্যস্ত থাকলে আপনার সন্তানের জন্যও তা ভালো হবে।

ঘুমাতে যাওয়ার আগে: রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে সন্তানকে এক গ্লাস দুধ খেতে দিন। করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ানোর জন্য দুধ সত্যিই ভীষণ দরকারি।

সূত্র: এই সময়

অর্থসূচক/এসএস/কেএসআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ