তিতুমীর কলেজ থেকে পালাল জেকেজির কর্মীরা
বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

তিতুমীর কলেজ থেকে পালাল জেকেজির কর্মীরা

করোনা পরীক্ষার ভুয়া রিপোর্ট প্রদান ও সার্টিফিকেট বাণিজ্যের অভিযোগে জোবেদা খাতুন হেলথ কেয়ারের (জেকেজি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল চৌধুরীকে গ্রেপ্তারের পর অজানা ভয়ে রাজধানীর সরকারি তিতুমীর কলেজের ক্যাম্পাস ছেড়ে পালিয়েছে তাদের কর্মীরা। শুরু থেকেই তারা এখানে ক্যাম্প করে নমুনা সংগ্রহের কাজ করেছিলো। কিন্তু আরিফ চৌধুরীকে গ্রেপ্তারের পরেই কলেজ ছেড়ে পালিয়ে যায় জেকেজি কর্মীরা।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, কলেজটিতে মাস্ক, গ্লাভস, পিপিই, ব্যবহৃত জামা-কাপড়সহ করোনা পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন উপকরণ ফেলে জেকেজির কথিত সেচ্ছাসেবী ও নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনীর সবাই সেখান থেকে পালিয়ে গেছে। তবে তাদের পালিয়ে যাওয়ার কারণ এখনও জানা যায়নি।

এ বিষয়ে তিতুমীর কলেজের অধ্যক্ষ আশরাফ হোসেন জানান, কলেজ কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে গতকাল রাত থেকেই তারা এখান থেকে চলে যায়। শুরু থেকে কলেজে তাদের প্রায় পৌনে দু’শ কর্মীরা অবস্থান করেছিলো। আমরা বিষয়টি বনানী থানা, শিক্ষা মন্ত্রনালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে জানিয়েছি।

গত ২৩ জুন করোনার উপসর্গ থাকা রোগীর নমুনা সংগ্রহ করে কোনও ধরনের পরীক্ষা ছাড়াই ভুয়া রিপোর্ট প্রদানকারী জেকেজির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল চৌধুরীসহ প্রতারকচক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে তেজগাঁও থানা পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করে তেজগাঁও জোনের সহকারী কমিশনার মো. মাহমুদ খান বলেছিলেন, তাদের কাছে জব্দ করা দুটি ল্যাপটপে প্রাথমিকভাবে ৩৭টি করোনা পরীক্ষার ভুয়া রিপোর্ট পাওয়া গেছে। আরও কয়েকটি ল্যাপটপ ও কম্পিউটারে করোনা পরীক্ষার ভুয়া রিপোর্ট রয়েছে। তারা নিজেরাই এসব সার্টিফিকেট তৈরি করেছিল। এই প্রতারকচক্র সাধারণ মানুষের সরলতার সুযোগ হাতিয়ে নিতো বিশাল অঙ্কের টাকা।

এ ঘটনার পর কোভিড-১৯ নমুনা পরীক্ষার জন্য জেকেজি হেলথকেয়ারকে দেওয়া নমুনা সংগ্রহ, বুথ স্থাপন ও প্রশিক্ষণের সব অনুমতি বাতিল করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

এর আগে, গত ২ জুন রাতে জেকেজি হেলথ কেয়ারের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্মী ও তিতুমীর কলেজের কর্মচারীদের মধ্যে মধ্যরাতে সংঘর্ষের ঘটনায় তিতুমীর কলেজের ১০ জন স্টাফ গুরুতর আহত হয়েছিলেন।

অর্থসূচক/এএইচআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ