করোনার চিকিৎসা দিতে অনীহার অভিযোগ, চাকরি গেল ১০ চিকিৎসকের
রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

করোনার চিকিৎসা দিতে অনীহার অভিযোগ, চাকরি গেল ১০ চিকিৎসকের

নভেল করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিতে অনীহা দেখানোয় চাকরি হারিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ১০ জন চিকিৎসক। একই অভিযোগে একজন স্টোরকিপারকেও চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) তাদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।


করোনাভাইরাস সংক্রান্ত দেশ-বিদেশের নির্বাচিত নিউজ ও টিপস পাওয়া যাচ্ছে ফেসবুক গ্রুপ

Corona: News & Tips এ।এতে যোগ দিয়ে সহজেই থাকতে পারেন আপডেট।


চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আক্তার চৌধুরী। তাদের জায়গায় আরও ১০ চিকিৎসক অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে

জানা গেছে,  করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য তিনদিন আগে নগরীর আগ্রাবাদ এক্সেস রোডের একটি কমিউনিটি সেন্টারে ২৫০ শয্যার একটি আইসোলেশন সেন্টার চালু করা হয়। তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ এটি উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেয়র আজম নাছির উদ্দীন ছাড়াও স্থানীয় প্রশাসন এবং স্বাস্থ্য বিভাগের পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ওই আইসোলেশন সেন্টারে কোভিড এবং উপসর্গ থাকা ২৫০ রোগী এক সঙ্গে চিকিৎসা নিতে পারবেন। কাল বুধবার থেকে সেখানে রোগী ভর্তি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

এ আইসোলেশন সেন্টার চালুর আগে ডাক্তারদের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। কিন্তু সেই প্রশিক্ষণে অনুপস্থিত ছিলেন আলোচিত ১০ চিকিৎসক। তাতে প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র মেয়র নাছির উদ্দীন। তার নির্দেশে ওই ১০ জন চিকিৎসক এবং একজন স্টোরকিপার চাকরিচ্যুত করা হয়।

এ বিষয়ে চসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আক্তার চৌধুরী বলেন, ‘আমরা চিকিৎসক। আমাদের মাঝে ধনী- গরিব, মানুষ কিংবা রোগের কোনো ভেদাভেদ নেই। যে কোন রোগের চিকিৎসা সেবা দিতে হবে। মানুষকে চিকিৎসা দেওয়া আমাদের প্রধান কাজ। করোনা ছোঁয়াচে রোগ। করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য আমরা আইসোলেশন সেন্টার প্রস্তুত করেছি। যাদের সেখানে পদায়ন করা হয়েছে তারা কাজ করতে অনীহা প্রকাশ করেছে। তাই আমরা একটা কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছি। চাকরি থেকে ১০ চিকিৎসকসহ ১১ জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।’

তবে এ বিষয়ে চাকরি চ্যুত চিকিৎসকদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। তাই তারা করোনার চিকিৎসা দিতে অনাগ্রহ নাকি অন্য কোনো সমস্যার কারণে ওই প্রশিক্ষণে অংশ নেননি তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

 

এই বিভাগের আরো সংবাদ