রংপুরে অবরোধের সাথে হরতালে আন্দোলনে নতুন মাত্রা

Rangpur Photo

Rangpur Photoচতুর্থ দফা অবরোধের দ্বিতীয় দিনে রংপুর মহানগরীতে জাতীয় পার্টির হরতাল যোগ হওয়ায় ছিল নতুন মাত্রা। আঠারো দলীয় জোট রংপুর মহানগরীর দর্শনা মোড়ে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে।

সকালে নগরীর দর্শনা মোড়ে মহাসড়কের পাশে মঞ্চ তৈরি করে অবস্থান নেয় আঠারো দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা। সেখানে দিনভর অবস্থান নিয়ে দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে তারা। এসব মিছিল ও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহবায়ক বীরমুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর হোসেনে, যুগ্ম-আহবায়ক সামসুজ্জামান সামু, শহিদুল ইসলাম মিজু, মামুনুর রশিদ মামুন, যুবদলের ভারপ্রাপ্ত নাজমুল আলম নাজু, স্বেচ্ছাসেবক দলের জেলা আহবায়ক আব্দুস সালাম, শহর আহবায়ক মতিউর রহমান বাবু, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মাহফুজ উন নবী ডন, জেলা সভাপতি জহির আলম নয়ন, সেক্রেটারী মনিরুজ্জামান হিজবুল প্রমুখ।

রংপুর পুলিশ সুপার আব্দুর রাজ্জাক জানান, আইন-শৃংখলা বাহিনী সতর্ক অবস্থায় আছে। কেউ নাশকতা সৃষ্টি করতে চাইলে কঠোরভাবে তা দমণ করা হবে।

রংপুর মহানগরী ছাড়াও আশেপাশের উপজেলা, হাটবাজারগুলো হরতাল অবরোধে অচল হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক কার্যক্রম।

গঙ্গাচড়া: বুড়িরহাট, আলমবিদিতর, তুলসীর হাট, পাকুড়িয়া শরীফ ও খলেয়া গঞ্জিপুর এলাকায় পিকেটিং ও বিক্ষোভ করে আঠারো দলীয় জোট। উপজেলা বিএনপির সভাপতি ওয়াহেদুজ্জামান মাবু, জামায়াত আমীর অধ্যাপক শফিকুল আলম ও সেক্রেটারী রায়হান সিরাজীর নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় গঙ্গাচড়া উপজেলা সদরে।

বদরগঞ্জ: উপজেলরা বিএনপি সভাপতি সাবেক এমপি পরিতোষ চক্রবর্তী, সাবেক এমপি মোহাম্মদ আলী উপজেলা জামায়াত আমীর শাহ মোহাম্মদ রুস্তমসহ আঠারো দলীয় নেতাদের নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের বাসস্ট্যান্ড, স্টেশন, শহীদ মিনার, হকের মোড়সহ বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে। এসময় স্টেশনেও অবরোধ করা হয়। বিভিন্ন সড়ক ও রেলস্টেশনে পিকেটিং হয়। এছাড়াও শ্যামপুর, ট্যাক্সেরহাটেও পিকেটিং ও সমাবেশ হয়েছে।

মিঠাপুকুর: উপজেলা সদরে জামায়াতের গোলাম রববানী, সেক্রেটারী এনামুল হক ও হাফিজুর রহমান, শিবির সভাপতি তারেকুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়। এসময় জামায়াত শিবির নেতাকর্মীরা শঠিবাড়ি, দুলাহপুর এলাকায় পিকেটিং করে।

পীরগাছা: উপজেলা সদরে রংপুর জেলা জামায়াতের আমীর এটিএম আজম খান, জেলা কৃষক দলের সভাপতি হাজী আবু তাহের, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আফসার আলীম সেক্রেটারী আমিনুল ইসলাম রাঙ্গা, জামায়াত সেক্রেটারী অধ্যাপক বজলুর রশিদের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। চৌধুরানী বাজারে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রায়হানুল করিম সরকার রায়হানের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল ও পিকেটিং হয়। এছাড়াও কদমতলি, দেউতি, বড় দরগা, কালিগঞ্জ বাজার, পাওটানা,তাম্বুলপুর ও সাতদরগায় পিকেটিং করে আঠারো দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা।

তারাগঞ্জ: উপজেলা বিএনপির সেক্রেটারী জাহাঙ্গীর আলম খান ও জামায়াত সেক্রেটারী মাহবুবুর রশিদ বাবুলের নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এসময় চৌপথিতে মহাসড়কে পিকেটিং হয়।

কাউনিয়া: শহীদবাগ, মীরবাগ, হারাগাছ, টেপা মধুপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় পিকেটিং করে আঠারো দলীয় জোট। উপজেলা বিএনপির সেক্রেটারী শফিকুল ইসলাম শফিক ও জামায়াত সেক্রেটারী অধ্যাপক হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে কাউনিয়া সদরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়।