ইবাইস বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ

ibaisবেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতারণা অব্যাহতভাবে চলছেই। তারই ধারাবাহিকতায় এবার নাম উঠে এসেছে ইবাইস বিশ্ববিদ্যালয়ের। উচ্চশিক্ষার নামে সরকারি অনুমোদনহীন ইবাইস বিশ্ববিদ্যালয়ের মোহাম্মদপুর শাখা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এমনই প্রতারণা হয়েছে বলে দাবি জানিয়েছে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

রোববার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইবাইস বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তরা শাখার শিক্ষার্থীরা এ অভিযোগ জানায়।

সংবাদ সম্মেলনে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের পক্ষে রিয়াজুল হাসান বলেন, আমার উচ্চশিক্ষা লাভের উদ্দেশ্যে ২০১০ সালে আমেরিকা বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হই। পরবর্তীকালে ২০১৩ সালে গণমাধ্যম মারফত জানতে পারি যে বিশ্ববিদ্যালয়টির সরকারি অনুমোদন নেই। এর পরিপ্রেক্ষিতে একটি অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয়ে সকল শিক্ষার্থীকে স্থানান্তরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষেকে আহ্বান জানাই। পরবর্তীতে তারা আমাদের অনুমোদিত ইবাইস বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থানান্তরের কথা বলে একই নামের অননুমোদিত ইবাইস বিশ্ববিদ্যালয়ের মোহাম্মদপুর শাখায় ভর্তি করানো হয়।

তিনি আরও বলেন, দ্বিতীয়বার প্রতারিত হওয়ার পর আমরা আমেরিকা বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয়ে অভিযোগ জানাতে যাই। অভিযোগ জানাতে গেলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ভাড়াটে সন্ত্রাসী দিয়ে আমাদের নানাভাবে হুমকি-ধামকি দিতে থাকে।

থানায় অভিযোগ দায়ের করা সম্পর্কে তিনি বলেন, হুমকির বিষয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় অভিযোগ জানানোর পরও পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। আর এ বিষয়ে পুলিশ মামলা না নিয়ে বিষয়টি সম্পর্কে লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করে।

উদ্ভূত পরিস্থিতির সমাধানে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা সংযুক্ত করে প্রতারিত শিক্ষার্থীরা শিক্ষামন্ত্রী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, মানবাধিকার কমিশন এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান বরাবর স্মারক লিপি পেশ করেন বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যলয়ের আইন বিভাগের ছাত্র নাজমুল হাসান, ফেরদৌস আলম, জাকির মিয়া, ইমরান হোসেনসহ প্রতারিত শিক্ষার্থীরা।

এইচকেবি/