সাত খুনের তদন্ত পর্যবেক্ষণে বিচার বিভাগীয় কমিশন চেয়ে রিট

শীতলক্ষ্যায় লাশ উদ্ধার
নিহত নজরুলের স্বজনরা লাশ উদ্ধারের পরে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। ফাইল ছবি
ছবি: ফাইল ছবি
ছবি: ফাইল ছবি

নারায়নগঞ্জের কাউন্সিলর নজরুল ইসলামসহ সাত খুনের তদন্ত পর্যবেক্ষণে বিচার বিভাগীয় পর্যবেক্ষণ চেয়ে চার বিভাগীয় কমিশন গঠনের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট হয়েছে। রোববার সকালে নিহত চন্দন সরকারের জামাতা ডা. বিজয় কুমার পালসহ তিনজন রিট আবেদনটি দায়ের করে।

রিটে একজন সাবেক প্রধান বিচারপতি বা আপিল বিভাগের একজন বর্তমান বিচারপতির নেতৃত্ব ওই কমিশন গঠনের আবেদন জানানো হয়েছে।

রিটকারী বাকি দুইজন হলেন-নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন খান এবং ‘আমরা নারায়ণগঞ্জবাসীর’ নির্বাহী সভাপতি মাহবুবুর রহমান।

উল্লেখ্য, গত ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ আদালত থেকে লিংক রোড ধরে ঢাকা যাওয়ার পথে অপহৃত হন সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম এবং তার চার সহযোগী। প্রায় একই সময়ে একই সড়ক থেকে গাড়ি চালকসহ অপহৃত হন আইনজীবী চন্দন সরকার। গত ৩০ এপ্রিল ছয় জনের এবং ১ মে আরেকজনের লাশ শীতলক্ষ্যা নদীতে পাওয়া যায়।

নজরুল ইসলামের শ্বশুর শহীদুল ইসলাম গত ৪মে র‌্যাবের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, নজরুলকে র‌্যাব টাকার বিনিময়ে তুলে নিয়ে হত্যা করেছে।

শহিদুল ইসলামের অভিযোগের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট সরকারকে তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশে দেয়।

এরপরে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. শাহজাহান আলী মোল্লার নেতৃত্বে  সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় ।

গত বৃহস্পতিবার তদন্ত কমিটির সদস্যরা অপহরণের স্থান ফতুল্লার শিবু মার্কেট এলাকা এবং বন্দর উপজেলার শান্তিনগর (লাশ উদ্ধারের স্থান) পরিদর্শন করেন।