বন্দরের এনসিটি চালু না হওয়ায় ব্যবহারকারীদের ক্ষোভ
শনিবার, ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » চট্টগ্রাম ও বন্দর

বন্দরের এনসিটি চালু না হওয়ায় ব্যবহারকারীদের ক্ষোভ

nct

ফাইল ছবি: চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল

নির্মাণের ছয় বছর পেরিয়ে গেলেও চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল পুরোদমে চালু না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বন্দর ব্যবহারকারীরা। এই টার্মিনাল চালু না হওয়ার পেছনে কোনো ষড়যন্ত্র আছে কিনা তাও জানতে চান ব্যবহারকারীরা।

শনিবার চট্টগ্রাম চেম্বারে অনুষ্ঠিত বন্দর ব্যবহারকারী ফোরামের এক মতবিনিময় সভায় এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন বন্দর ব্যবহারকারীরা।

ফোরামের চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকসহ নানা সংগঠনের প্রতিনিধি, শিপিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বিকেএমইএ’র প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সভায় মাহবুবুল আলম বলেন, এনসিটি নির্মার্ণের ছয় বছর পেরিয়ে গেলে তা পুরোপুরি চালু না হওয়ায় নৌ-পরিবহনমন্ত্রী এক বছর আগে তা দুইমাসের মধ্যে চালু হবে বলে ঘোষণা দেন। অথচ এখন পর্যন্ত কোনো কিছুই হয়নি। এই টার্মিনাল চালু হলে আমদানি-রপ্তানি পণ্য পরিবহনে গতিশীলতা আসতো। টার্মিনালটি পুরোপুরি চালু না হওয়ায় ব্যবসায়ীরা সুবিধা পাচ্ছেন না।

সভায় আমদানি-রপ্তানিকারকরা বলেন, পণ্য আমদানিতে কিছু সংখ্যক কনটেইনার মালিকপক্ষের প্রতিনিধি নানা ধরনের অযৌক্তিক মাশুল আদায় করছেন। এতে আমদানিকারকদের ব্যবসা করার খরচ বেড়ে যাচ্ছে। নির্ধারিত ১৩টি পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ওয়াশিং চার্জ আদায় করার কথা থাকলেও অনেকে কাপড় আমদানির ক্ষেত্রেও কনটেইনারের ওয়াশিং চার্জ আদায় করছে। এটি বন্ধ হওয়া দরকার বলে মত দেন ব্যবহারকারীরা।

বন্দর ব্যবহারকারী ফোরামের চেয়ারম্যান মাহবুবুল আলম বলেন, এখন থেকে প্রতিটি চালানের বিপরীতে ৫০০ টাকা ডকুমেন্টেশন চার্জ এবং ১৩টি পণ্য আমদানিতে কনটেইনার প্রতি ৩০০ টাকা ওয়াশিং চার্জ আদায় করতে পারবেন শিপিং এজেন্টরা। এর বেশি কেউ আদায় করতে পারবে না।

এই বিভাগের আরো সংবাদ