সিকদার গ্রুপের এমডির বিলাসবহুল 'রেঞ্জ রোভার' জব্দ
মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

সিকদার গ্রুপের এমডির বিলাসবহুল ‘রেঞ্জ রোভার’ জব্দ

এক্সিম ব্যাংকের দুই কর্মকর্তাকে নির্যাতন ও গুলি করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সিকদার গ্রুপের এমডি ও ন্যাশনাল ব্যাংকের পরিচালক রন হক সিকদারের ‘রেঞ্জ রোভার’ গাড়ি জব্দ করেছে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ ডিবি।

এর আগে সিকদার গ্রুপ অব কোম্পানিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রন হক সিকদার ও তার ভাই দিপু হক সিকদারের বিরুদ্ধে রাজধানীর গুলশান থানায় মামলা করে এক্সিম ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

সিকদার গ্রুপের এমডি রন হক সিকদার (বাঁয়ে) ও দিপু হক সিকদার,ছবি: সংগৃহীত

আজ বুধবার (৩ জুন) সকালে ঢাকা উত্তর গোয়েন্দা বিভাগ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এর আগে মঙ্গলবার (০২ জুন) তাদের বাসায় অভিযান চালিয়ে সাদা গাড়িটি জব্দ করা হয়। গাড়ির রেজিস্টেশন নম্বর ঢাকা মেট্রো ঘ- ১৮-৩৯৪৫।

মামলায় নির্যাতনকারী হিসেবে সিকদার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রন হক সিকদার ও তার ভাই দিপু হক সিকদার নাম উল্লেখ করা হয়। নির্যাতনের শিকার হন এক্সিম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ হায়দার আলী মিয়া ও অতিরিক্ত এমডি মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেন।

সিকদার গ্রুপের মালিক জয়নাল শিকদারের দুই ছেলে রন হক সিকদার ও দিপু হক সিকদার গুলশান থানায় এক্সিম ব্যাংকের দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি। দুজনই ন্যাশনাল ব্যাংকের পরিচালক। মামলায় অভিযোগ করা হয়, ঋণের জন্য বন্ধকি সম্পত্তির মুল্য বেশি দেখাতে রাজি না হওয়ায় রন হক ও দিপু হক এক্সিম ব্যাংকের এমডিকে মোহাম্মদ হায়দার আলী মিয়া ও অতিরিক্ত এমডি মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেনকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা করেন। এ ছাড়া দুই কর্মকর্তাকে বনানীর বাসায় জোর করে আটক রেখে নির্যাতন এবং সাদা কাগজে সই নেন। মামলার পর দুই ভাই গত ২৫ মে নিজেদের কোম্পানির উড়োজাহাজে দেশ ত্যাগ করেন।

মামলার বিবরণীতে বলা হয়েছে, গত ৭ মে রন ও দিপু এক্সিম ব্যাংকের এমডি মুহাম্মদ হায়দার আলী মিয়া ও অতিরিক্ত এমডি মুহাম্মদ ফিরোজ হোসনেকে একটি অ্যাপার্টমেন্টে বন্দি করে রাখেন। তাদের গুলি করে হত্যা করার চেষ্টা করা হয়।

এক্সিম ব্যাংকের কর্মকর্তাদের নির্যাতন করে পরে সাদা কাগজে সই নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। সিকদার গ্রুপ ব্যাংকটির কাছে ৫০০ কোটি টাকা ঋণ প্রস্তাব দিলে এর বিপরীতে গ্রুপের বন্ধকি সম্পত্তি পরিদর্শনে যান ব্যাংকের দুই কর্মকর্তা। সেসময় এ ঘটনা ঘটে।

অর্থসূচক/কেএসআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ