আরও ১১ জোড়া ট্রেন চালু
বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই, ২০২০
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

আরও ১১ জোড়া ট্রেন চালু

স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে ট্রেন চালুর চতুর্থ দিনের মাথায় ট্রেনের সংখ্যা বাড়িয়ে বিভিন্ন রুটে আজ থেকে আরো ১১ জোড়া আন্তঃনগর যাত্রীবাহী ট্রেন যুক্ত হয়েছে। তবে এসব ট্রেনের মধ্যে যেগুলার বুধবার সাপ্তাহিক বন্ধ আছে সেগুলা বৃহস্পতিবার (০৪ জুন) থেকে চলবে।

গত ৩১ মে থেকে প্রথম দফায় চলাচল করছে ৮ জোড়া ট্রেন। এখন চলাচল করা ট্রেনের সংখ্যা দাঁড়াল মোট ১৯ জোড়া।

দ্বিতীয় দফায় যুক্ত হওয়া ট্রেনগুলো হচ্ছে, ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ বাজার রুটের তিস্তা এক্সপ্রেস, ঢাকা-বেনাপোল রুটের বেনাপোল এক্সপ্রেস, ঢাকা- চিলাহাটি রুটের নীলসাগর এক্সপ্রেস, ঢাকা-কিশোরগঞ্জ রুটের কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস, ঢাকা-নোয়াখালী রুটের উপকূল এক্সপ্রেস, ঢাকা-কুড়িগ্রাম রুটের কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস, ঢাকা-চাঁদপুর রুটের ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস, খুলনা-চিলাহাটি রুটের রূপসা এক্সপ্রেস, খুলনা-রাজশাহী রুটের কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস, রাজশাহী-গোয়ালন্দঘাট রুটের মধুমতি এক্সপ্রেস ও চট্টগ্রাম-চাঁদপুর রুটের মেঘনা এক্সপ্রেস।

আগের মতই অর্ধেক আসন খালি রেখে টিকিট বিক্রি করা হয়েছে এসব ট্রেনের। তবে ট্রেনের সংখ্যা যেহেতু বেড়েছে স্টেশনে যাত্রী সংখ্যা কিছুটা বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

স্টেশনের বাড়তি চাপের বিষয় জানতে চাইলে আজ বুধবার (০৩ জুন) কমলাপুর রেলস্টেশনের স্টেশন ম্যানেজার মোহাম্মদ আমিনুল হক বলেন, ট্রেন চালুর গত চারদিন সকল ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমারা ট্রেনে যাত্রী পরিবহনে সফল হয়েছি। ট্রেনের সংখ্যা আজ বেড়েছে। যাত্রী চাপ সামাল দিতে আমাদের বাড়তি লোকবল রয়েছে। যাতে আগের মতই সকলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ট্রেনে যাত্রা করেন যে বিষয়টিতে নজর দেওয়া হচ্ছে। তবে এ ক্ষেত্রে যাত্রীদের নিজেদেরও সচেতন হওয়া উচিত।

প্রথম দফায় গত রোববার থেকে চালু হওয়া আট জোড়া ট্রেনের পথে খুব একটা যাত্রাবিরতি ছিল না। আজ থেকে চালু হওয়া ১১ জোড়া ট্রেনে যাত্রাবিরতি তুলনামূলকভাবে কিছুটা বেশি হবে বলে রেলের কর্মকর্তারা জানান। এ ক্ষেত্রে ট্রেনে কম দূরত্বের যাতায়াত বাড়বে।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে এখন ট্রেনে মোট আসনের অর্ধেক টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। স্টেশনে ভিড় এড়াতে শতভাগ টিকিট বিক্রি হচ্ছে অনলাইনে। কমলাপুর স্টেশনে প্রবেশের ক্ষেত্রে গতকাল মঙ্গলবারও কড়াকড়ি অব্যাহত রাখে রেল কর্তৃপক্ষ। প্রতিটি যাত্রীকে জীবাণুমুক্ত করার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে।

স্বাভাবিক সময়ে রেলের পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলে ৫২ জোড়া আন্তনগর ট্রেন চলাচল করে। করোনা পরিস্থিতিতে দীর্ঘ ৬৬ দিন বন্ধ থাকার পর গত রোববার থেকে সীমিত আকারে চালু হয়েছে। আগামী ১৫ দিন ১৯ জোড়া ট্রেন চালিয়ে দেখার পর সব কটি আন্তনগর ট্রেন চালু করা হতে পারে বলে রেলের কর্মকর্তারা জানান। তারা বলছেন, রেলে প্রায় দুই শতাধিক লোকাল ও কমিউটার ট্রেন চলে। লোকাল ও কমিউটার ট্রেন চালু করার জন্য সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত লাগবে। এ ছাড়া স্বাভাবিক সময়ে সব ট্রেন বিমানবন্দর স্টেশনে থামে। উত্তরা, খিলক্ষেত, টঙ্গীসহ ঢাকার উত্তর অংশের অফিসগামী মানুষের একটা বড় অংশ ট্রেনে কমলাপুর–বিমানবন্দর পথে চলাচল করেন। এখন তা বন্ধ আছে।

অর্থসূচক/কেএসআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ