'মানুষ যেন খেয়ে-পরে বাঁচতে পারে সেজন্যই এই সিদ্ধান্ত'
সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

‘মানুষ যেন খেয়ে-পরে বাঁচতে পারে সেজন্যই এই সিদ্ধান্ত’

মহামারি করোনা ভাইরাসের এই তাণ্ডবের মধ্যেও অফিস, গণপরিবহনসহ সবকিছু চালু করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মানুষ যেন খেয়ে-পরে বাঁচতে পারে সেজন্যই স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (০২ জুন) সকালে শেরে-ই বাংলা নগরে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকের শুরুতেই এ কথা বলেন তিনি।

এ সময় স্বাস্থ্যবিধি মেনেই অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে হবে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

সকাল সাড়ে ১০টার কিছু পরে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় একনেক বৈঠক। এ সময় কোভিড-উনিশের জরুরি পরিস্থিতিতে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এদিকে আজকের একনেক সভায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দুইটি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি, বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে দুইটি, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে দুইটি প্রকল্প এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি করে প্রকল্প অনুমোদন পায়।

অনুমোদিত প্রকল্পসমূহ হলো: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দুইটি প্রকল্প যথাক্রমে ১ হাজার ১২৭ কোটি ৫২ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘CoVID – 19 Emergency Response and Pandemic Preparedness’ প্রকল্প ও ১ হাজার ৩৬৪ কোটি ৫৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘COVID – 19 Response Emergency Assistance ‘ প্রকল্প, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ৬ হাজার ৮৪৩ কোটি ২৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্প-৩য় পর্যায়’ প্রকল্প, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ৩ হাজার ১২৮ কোটি ৪৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম-৭ম পর্যায়’ প্রকল্প, বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দু’টি প্রকল্প যথাক্রমে ১ হাজার ৫৮৭ কোটি ৯৯ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘শতভাগ পল্লী বিদ্যুতায়নের জন্য বিতরণ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ ( রাজশাহী, রংপুর, খুলনা ও বরিশাল বিভাগ) ( ১ম সংশোধিত)’ প্রকল্প এবং ১ হাজার ২৩৭ কোটি ৬৯ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘শতভাগ পল্লী বিদ্যুতায়নের জন্য বিতরণ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ (ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ) (১ম সংশোধিত প্রকল্প)’ প্রকল্প।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের দু’টি প্রকল্প যথাক্রমে ৫৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘কৃষি যন্ত্রপাতি ও লাগসই প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন ব্যবস্থাকে অধিকতর লাভজনক করা প্রকল্প এবং ৬০ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে মানসম্পন্ন মসলা বীজ উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিতরণ প্রকল্প। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ৪৭৫ কোটি ২৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘সাতক্ষীরা জেলার পোল্ডার ১, ২, ৬-৮ এবং ৬-৮: ( এক্সটেনশন) এর নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রকল্প এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের ৩৯৪ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘দাশেরকান্দি পয় শোধনাগার (১ম সংশোধিত) প্রকল্প।

শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষ থেকে সভায় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, পরিকল্পনা মন্ত্রী এম. এ. মান্নান, কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক, বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম, পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

সভায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, এসডিজি’র মুখ্য সমন্বয়ক, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যবৃন্দ, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সমূহের সচিব এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

অর্থসূচক/কেএসআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ