খুলনায় সাংবাদিকদের কর্মবিরতি পালন

খুলনায় সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে কর্মবিরতি
খুলনায় সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে কর্মবিরতি
খুলনায় সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে কর্মবিরতি
খুলনায় সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে কর্মবিরতি

খুলনায় সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে কর্মবিরতি পালন করেছে সাংবাদিকরা।

শনিবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত খুলনা প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে অবস্থান নিয়ে এ কর্মবিরতি পালন করেন তারা।

চ্যানেল ২৪ এর ব্যুরো প্রধান মামুন রেজা ও ক্যামেরাপার্সন খায়রুল আলমের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার এবং খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ-সম্পাদক মাহবুব আলম সোহাগকে হত্যার হুমকি প্রদানকারী পুলিশ হাবিলদার হাকিমকে প্রত্যাহারের দাবিতে এ কর্মবিরতি পালন করা হয়।

খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়ন (কেইউজে), মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (এমইউজে), খুলনা প্রেসক্লাব, বিভাগীয় প্রেসক্লাব ফেডারেশন, খুলনা টিভি ক্যামেরা জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন, ফটোজার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশ এই কর্মসূচির আয়োজন করে। এতে সভাপতিত্ব করেন কেইউজে সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম কাজল।

সাধারণ-সম্পাদক মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগের পরিচালনায় অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তৃতা দেন খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি ফারুক আহমেদ, সাবেক সভাপতি ওয়াদুদুর রহমান পান্না, সাংবাদিক রাশিদুল ইসলাম, শাহ আলম, আসাদুজ্জামান রিয়াজ, রকিবুল ইসলাম মতি, শাহজালাল মোল্লা মিলন প্রমুখ।

এ সময় পুলিশ প্রশাসনের উদ্দেশে বক্তারা বলেন, আপনাদের সামনেই দুই সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসীরা হামলা করেছিলো। কিন্তু আপনারা তাদের রক্ষা করেননি। ঘটনার ৫দিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি। অথচ সেই সব সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

এ বিষয়ে পুলিশ কমিশনারের কাছে জানানো হলেও তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি। পুলিশ কমিশনারের এই নিরবতাকে ধিক্কার জানান সাংবাদিকরা।

এ সময় সাংবাদিকরা অবিলম্বে সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার চ্যানেল-২৪ এর খুলনা ব্যুরো প্রধান ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি মামুন রেজা ও ক্যামেরাপার্সন খায়রুল আলম একটি প্রতিবেদন তৈরির উদ্দেশ্যে শহরের  জিরো পয়েন্ট এলাকায় যান। এ সময়ে তাদের কর্মস্থলের অদূরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এই সংবাদটি সংগ্রহ করতে গেলে যুবলীগের সাবেক সাংগঠনিক-সম্পাদক হাফিজুর রহমান হাফিজের আত্মীয় ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-আহ্বায়ক তৈয়েবুর রহমানের নেতৃত্বে যুবলীগ নেতার লোকজন খায়রুলের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এ সময় তারা লাঠি, রড, ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে আলম এবং মামুনকে মারধর করে। এতে তারা দুজন গুরুতর আহত হন।

এছাড়া কিছুদিন আগে খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ-সম্পাদক মাহবুব আলম সোহাগকে পুলিশ হাবিলদার হাকিম প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার হুমকি দেয়।

কেএফ