ইউনাইটেড হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল চেয়ে রিট
শুক্রবার, ৩রা জুলাই, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

ইউনাইটেড হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল চেয়ে রিট

দেশের অন্যতম শীর্ষ শিল্প গোষ্ঠি ইউনাইটেড গ্রুপের মালিকানাধীন ইউনাইটেড হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট হয়েছে। রিট আবেদনে আগুনে পুড়ে ৫ জন রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং নিহতদের পরিবারকে যথোপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার রেদোয়ান আহমেদ রানজীব ও ব্যারিস্টার হামিদুল মিসবাহ আজ সোমবার ১ জুন) এ রিট আবেদন দাখিল করেন।

রিট আবেদনে তারা ৫ জন রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় ইউনাইটেড হাসপাতালের সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কেন হত্যা মামলা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারির আর্জি করেছেন।

রিট আবেদনে স্বাস্থ্য সচিব,স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক,ইউনাইটেড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।বিচারপতি এম.ইনায়েতুর রহিমের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য ইউনাইটেড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একটি অস্থায়ী আইসোলেশন সেন্টার তৈরি করে। মূল ভবনের পাশে অস্থায়ী ভিত্তিতে এটি তৈরি করা হয়।তবে আইসোলেসন সেন্টারে রোগীদের অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রাখা হয় বলে স্বজনদের অভিযোগ।

উল্লেখ,গত ২৭ মে রাতে রাজধানীর গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ইউনিটে এসি বিস্ফোরণের আগুনের সূত্রপাত ঘটে। ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার আগেই অগ্নিদগ্ধ হয়ে পাঁচজন মারা যান।

এ ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের উপ পরিচালক দেবাশীষ বর্ধনের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তদন্ত কমিটি ঘটনাস্থর পরিদর্শন করেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক দেবাশিষ বর্ধন বলেন,আইসোলেসন সেন্টারে রোগীদের অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রাখা হয়েছিল।খুবই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল।যারা মারা গেছেন তারা ঠিক সানশেডের নিচে মারা গেছেন।আগুনের সময় করোনা রোগীরা খুবই অসহায় ছিল।

জানা যায়,হাসপাতালের নয়টি অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রের মধ্যে পাঁচটিই বিকল ছিল।মৃত ও অগ্নিদগ্ধ ব্যক্তিরা কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতার শিকার।

ওই ঘটনার পরে ইউনাইটেড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বাদী হয়ে গুলশান থানায় একটি ‘অপমৃত্যু’র মামলা দায়ের করে।

এই বিভাগের আরো সংবাদ