করমুক্ত আয় সীমা ২ লাখ ২৫ হাজার টাকা হবে: অর্থমন্ত্রী

Abul-mal
ফাইল ছবি।
Abul mal
ফাইল ছবি

আগামি অর্থবছরের বাজেটে ব্যক্তি পর্যায়ে করমুক্ত আয়সীমা বাড়বে। এ সীমা ৫ হাজার টাকা বেড়ে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা থেকে ২ লাখ ২৫ হাজার টাকা করা হতে পারে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত এ তথ্য জানিয়েছেন। এ সময় এ আয়করসীমা আগামি ৫ বছরের জন্যও নির্ধারণ করে দেওয়া হবে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।

শনিবার দুপুরে সচিবালয়ে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সঙ্গে এক প্রাক-বাজেট আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও আস্থার অভাবে দেশে বেসরকারি বিনিয়োগ হচ্ছে না। আর বিনিয়োগ না হওয়ার কারণে দেশের অর্থ বিদেশে চলে যাচ্ছে।

করদাতার সংখ্যা বাড়ানো প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে নিয়মিত আয়করদাতার সংখ্যা ১১ লাখ। আগামি পাঁচ বছরে আয়করদাতার সংখ্যা দ্বিগুণ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হবে। এছাড়া ব্যক্তিগত আয়করসীমাও পাঁচ বছরের জন্য নির্ধারণ করে দেওয়া হবে।

এ সময় ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সভাপতি সুলতান মাহমুদ বাদল দেশের অর্থ বিদেশে চলে যাওয়া রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহবান জানান।

সুলতান মাহমুদ বাদল অর্থমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলেন, আমাদের সম্পদ আছে। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে  দেশ থেকে টাকা কোনো না কোনোভাবে বিদেশে চলে যাচ্ছে। একেক দেশ একেক পন্থায় দেশের টাকা নিয়ে যাচ্ছে। যেমন মালয়েশিয়া সেকেন্ড হোম প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের অর্থ নিয়ে যাচ্ছে। এ ধরনের বিভিন্ন পন্থায় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশে অর্থ চলে যাচ্ছে। তাই এই অর্থ যাতে বিদেশে না গিয়ে দেশেই বিনিয়োগ হয় সে বিষয়ে কিছু করা উচিত।

তিনি আরও বলেন, দেশে বর্তমানে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে ২ কোটির ওপরে চাকরিজীবী রয়েছে। সব চাকরিজীবীকে পেনশনের আওতায় নিয়ে আসা, মূল্যস্ফীতি কমিয়ে আনা, কর্মসংস্থানের আওতা বাড়ানো, বেসরকারি উদ্যোক্তা তৈরি, দেশিয় শিল্পকে সুরক্ষা দেওয়া, কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ এবং পুঁজিবাজারকেও চাঙ্গা করার আহবান জানান তিনি।

মতবিনিময় সভায় ইআরএফের সাধারণ-সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান, অর্থসচিব ফজলে কবির, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান গোলাম হোসেন, পরিকল্পনা সচিব ভূঁইয়া শফিকুল ইসলাম, আইএমইডি সচিব সুরাইয়া বেগম উপস্থিত ছিলেন।

এসএই/এ এস