জয়পুরহাটে এক সপ্তাহে ৩৪ জন করোনা রোগী শনাক্ত
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২০
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

জয়পুরহাটে এক সপ্তাহে ৩৪ জন করোনা রোগী শনাক্ত

জয়পুরহাটে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা, আজকেসহ গত এক সপ্তাহে ৩৪ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে এ জেলায়। জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৪ জনে। এদিকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩৭ জন।

স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, হোম কোয়ারেন্টিন সঠিকভাবে পালন না করার কারণে করোনা রোগীর সংস্পর্শে আসা অনেকেই আক্রান্ত হচ্ছেন, এরই ধারাবাহিকতায় একদিনে দুজন করোনা সংস্পর্শে ৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে আজও এক করোনা রোগীর সংস্পর্শে ক্ষেতলাল উপজেলার রামপুরা গ্রামের ৩ জনসহ ক্ষেতলাল উপজেলায় ৮ জন, পাঁচবিবি উপজেলা ৩, সদর উপজেলা ১ জনসহ জেলায় ১২ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

রোববার সকালে ঢাকা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ল্যাবরেটরি মেডিসিন এন্ড রেফারেল সেন্টার ও বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের ল্যাবরেটরি থেকে পাঠানো রিপোর্টে ৩২৮ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৩১৬ জনের নমুনা নেগেটিভ হলেও ১২ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত ও গোপীনাথপুর আইসোলেশনে থাকা চারজন করোনা রোগীর ফলোআপ রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে বলে নিশ্চিত করেন সিভিল সার্জন ডা. সেলিম মিঞা।

করোনা আক্রান্ত ১২ জন হলেন- ক্ষেতলাল উপজেলার রামপুরা গ্রামের ২৫ বছরের যুবতী ও সাত বছরের শিশু ও ৩৫ বছরের নারী, তালসন গ্রামের ২৭ বছরের যুবক, তেলাবদুল গ্রামের ১৮ বছরের যুবতী, নারায়ণপাড়া গ্রামের ১৯ বছরের যুবক, ঠনঠনিয়া গ্রামের ৩৬ বছরের যুবক, কৃষ্ণনগর গ্রামের ২৪ বছরের যুবক, পাঁচবিবি উপজেলার নন্দইল গ্রামের ৩৫ বছরের যুবতী, রসুলপুর গ্রামের ২৫ বছরের যুবতী, ১২ বছরের শিশু, সদর উপজেলার ৩৫ বছরের নারী।

ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আতাউর রহমান বলেন, ঢাকা,গাজীপুর নারায়ণগঞ্জসহ জেলার বাহির থেকে যে ব্যক্তিই জয়পুরহাটে আসছে তাদের পুরোপুরি হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে হবে, নিশ্চিত করতে প্রশাসন, স্থানীয় প্রশাসন, গ্রামবাসী তথা পরিবার সবাইকেই আরও অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

সিভিল সার্জন ডা. সেলিম মিঞা জানান, আমাদের জয়পুরহাটে ৯০ ভাগ করোনা রোগী ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ ফেরত। কিছু রোগী এদের সংস্পর্শে এসে আক্রান্ত হচ্ছে। এজন্য জেলার বাহির থেকে আসা ব্যক্তিদের হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করা ছাড়াও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সকলেই আরও সচেতন হতে হবে।

অর্থসূচক/এমএস

এই বিভাগের আরো সংবাদ